অপসারণ করা হয়নি পাকিস্তানী চিহ্ন

সারাবাংলা

মো. হাবিব, বিজয়নগর থেকে:
স্বাধীনতা ৫০ বছর অতিবাহিত হলেও বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা বাজার বহন করছে পাকিস্তানী জাতিয় পতাকার চাঁনতাঁরা সম্বলিত প্রবেশ মুখে বিশাল গেট। পাকিস্তানী আমলে ২৬ জুন ১৯৬৭ সালে ততকালীন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসডিও মিস্টার এ বি চৌধুরী এই সু-বিশাল গেইটটি আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন। সেই সময় ততকালীন পাকিস্তান সরকারকে খুশি করতে কিছু অতি উৎসাহী স্থানীয় নেতৃবৃন্দের আগ্রহে ঐতিয্যবাহী চান্দুরা বাজারের প্রবেশ মুখে গেইটের মাথায় পাকিস্তানী জাতিয় পতাকার মধ্যে থাকা চাঁনতাঁরা স্থাপন করা হয়েছিল। এবছর বাংলাদেশ স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী পালন করলেও গত ৫০ বছরে পূর্ব বাংলাকে শোষিত পশ্চিম পাকিস্তানীদের চিহৃ এখনো বহন করাকে অনেকেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে সাতগাঁও দারোগা বাড়ির এক বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাবাহিনী অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক মোঃ মতি মিয়া বলেন পশ্চিম পাকিস্তানীদের জুলুম নির্যাতনের কারনে আমরা অনেক কিছু থেকেই বঞ্চিত ছিলাম।তার পতিবাদে আমরা পূর্ব বাংলার সর্বস্তরের জনগন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সম্মিলিত ভাবে অধিকার আদায়ে মাঠে যাপিয়ে পরি।তাদের জুলুম নির্যাতনের কারনে আল¬াহ গজবে তারা ৯৩ হাজার সৈনিক এক সঙ্গে আমাদের কাছে আত্বসমাপর্ণ করতে বাধ্য হয়েছিল।যা পৃথিবী ইতিহাসে আর কোন দেশে ঘটেনি। আজ ৫০ বছর পরেও তাদের চিহৃ আমাদের দেশ বহন করছে তা সত্যই দুংখজনক এবং নিন্দনীয়। আমি অনতিবিলম্ব এটা অপসারণ করে স্বাধীনতা স্মৃতি বিজড়িত কিছুর মাধ্যমে সুন্দর নান্দনিক একটি গেইট দেখতে চাই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম ইয়াসির আরাফাত বলেন,আপনি একটা লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করব। বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাছিমা মুকাই আলী বলেন,স্বাধীনতা এত বছরে পরে বাংলাদেশের কোথাও পাকিস্তানী চিহৃ থাকতে পারে না।আমি দ্রুত খুঁজখবর নিয়ে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *