অবৈধ সম্পদ অর্জন মামলায় বাবরের আত্মপক্ষ শুনানি ২১ সেপ্টেম্বর

আইন আদালত

ডেস্ক রিপোর্ট : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের মামলায় ২১ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ শুনানির দিন ঠিক করেছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার ৭ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের মো. শহিদুল ইসলাম আত্মপক্ষ শুনানির এ দিন ঠিক করেন।

এর আগে এদিন দুদকের পক্ষে মামলার বাদী সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম সাক্ষ্য প্রদান করেন। তিনি এদিন আসামি দাখিল করা সম্পদ বিবরণী আদালতে শনাক্ত করেন।

মামলাটিতে এর আগেও তিনি সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। কিন্তু সেসময় সম্পদ বিবরণী শনাক্ত না করায় তা শনাক্তের জন্য এ সাক্ষীকে ফের তলব করা হয়। এদিন এ সাক্ষী কর্তৃক সম্পদ বিবরণী শনাক্ত শেষে আসামি পক্ষে আইনজীবী আমিনুল ইসলাম তাকে জেরা করেন। এরপর আদালত আত্মপক্ষ শুনানির দিন ঠিক করেন।

সাক্ষ্য গ্রহণকালে কারাগারে থাকা বিএনপির সাবেক এ নেতাকে আদালতে হাজির করা হয়। সাক্ষ্য শেষে তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

২০০৭ সালের ২৮ মে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হওয়া এ আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলাটি ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি রমনা থানায় দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে ওই বছরই দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা এ চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে বাবরের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার অবৈধ স¤ক্সদ রাখার অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি দুদকে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১২ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেছিলেন। তার অবৈধ সম্পদের মধ্যে প্রাইম ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংক দুইটি এফডিআর-এ ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা এবং বাড়ি নির্মাণ বাবদ ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকা গোপনের কথা উল্লেখ করা হয়।

২০০৮ সাল থেকে কারাগারে থাকা এ আসামির একটি অস্ত্র মামলায় ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তার ১৭ বছর কারাদণ্ড হয়। এরপর ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ফাঁসির আদেশ হয়। তার বিরুদ্ধে সাব্বির হত্যা মামলার বসুন্ধ শাহআলম পরিবারকে বাঁচাতে ঘুষ গ্রহণে দুর্নীতি এবং আয়কর ফাঁসির মামলাও আদালতে বিচারাধীন আছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *