আলোচনার শীর্ষে মেয়র হিসাবে পুনরায় দেখতে চায় বসুরহাট পৌরবাসী

সারাবাংলা

নাছির উদ্দিন, কোম্পানীগঞ্জ থেকে:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি। এরই মধ্যে কুয়াচ্ছন্ন শীতের আমেজে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। বিগত দিনের উন্নয়ন আর সাধারণ ভোটারদের ভালবাসা নিয়ে চলছে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা। জনসাধারণের মধ্যে চুলছেঁড়া বিশ্লেষণ। কে হবেন? বসুরহাট পৌরসভা মেয়র। এরই মধ্যে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র হিসেবে পুনরায় মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার নাম রয়েছে আলোচনার শীর্ষে ।

তিনি মেয়র হওয়ার পর বসুরহাট পৌরসভায় করেছেন ব্যাপক উন্নয়ন। ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা আব্দুল কাদের মির্জার জনপ্রিয়তা এখন আকাশ চুম্বি, বসুরহাট পৌরসভাকে করেছেন মাদক ইভটিজিং ও সন্ত্রাসমুক্ত। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসা ক্রীড়া অঙ্গনে রেখেছেন ব্যাপক ভূমিকা। বিশেষ করে কভিড-১৯ করোনাকালে তিনি ছিলেন মানুষের পাশে পাশে। রাত জেগে মানুষের ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন খাবার, শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে মানুষের মধ্যে তৈরি করেছেন সচেতনতা।

দীর্ঘদিনের রাজনীতিতে তিনি সুমান অর্জনের পাশাপাশি জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০/২১ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন, গ্রাম হবে শহর তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। আব্দুল কাদের মির্জা বসুরহাট পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে উন্নয়ন করেছেন সমান তালে, নাগরিক সব চাহিদা পূরণ করে, সুবিধা বঞ্চিতদের মধ্যে সাহ্য সহযোগিতা দিয়ে গেছেন সমানভাবে। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, বিভেদ সব উপেক্ষা করে জয় করে নিয়েছেন সবার মন। উপজেলায় তার নেতৃত্বে দলীয় কোন্দল হয়নি বিগত ২০ বছরে।

নিজের বুদ্ধি আর উজ্জেবিত শক্তি হাতে করে সব সামাধান করেছেন নিজ যোগ্যতায়। তাইতো আসন্ন বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র হিসেবে আব্দুল কাদের মির্জাকে পুনরায় মেয়র হিসেবে দেখতে চান বসুরহাট পৌরসভাবাসী। কে এই আব্দুল কাদের মির্জা ?
১৯৭৫ সাল পরবর্তী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের অন্যতম কাণ্ডারি তিনি। ৭৯-৮০ সালে যখন চারদিকে জাসদের জয় জয়কার, সারদেশের প্রায় সবগুলো ছাত্র সংসদে জাসদ মনোনীত প্যানেল থেকে ভিপিজিএস নির্বাচিত হচ্ছিল। ঠিক তখনই তিনি সরকারি মুজিব কলেজ ছাত্র সংসদে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে মনোনয়ন নিয়ে সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের ভোটে ভিপি নির্বাচিত হন। তিনি জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং পরবর্তীতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩/৯৪ সালে তিনি শিবির কর্তৃক ছুরিকাঘাতে মারাত্মক আহত হয়ে আল্লাহর অশেষ কৃপায় অল্পতে বেঁচে যান। ১৯৯৭ সালে তিনি বসুরহাট পৌরসভার চেয়াম্যান নির্বাচিত হন। ২০০১ থেকে ২০০৬ বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে ৩৭টি মিথ্যা মামলা দিয়ে তার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয়। তিনি অন্যায়ভাবে কারাবন্দী ছিলেন একাধিকবার।

 

২০১১ সালে দ্বিতীয় বার এবং ২০১৬ তৃতীয় বারের মতো বসুরহাট পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিন সদস্য পরবর্তীতে সফলতার সহিত সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০২০ সালে ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী হিসেবে তিনি দলীয় মনোনয়ন লাভ করেন।
তিনি সবসময় ত্যাগী, নির্যাতিত, নিপিড়িত নেতা কর্মীদের পাশে ছায়ার মত ছিলেন। জীবনে কখনও তিনি মুজিব আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি। দীর্ঘ ৪৭ বছর তিনি এক নৌকার মাঝি নানা চড়াই-উৎরাই, ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে তিনি এখন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের অন্যতম আশা আকাঙ্খা এবং নির্ভরতার প্রতিক।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *