বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শ্রীপুরে র‌্যাব পরিচয়ে ১৯ লাখ টাকা ছিনতায়,গ্রেফতার-৫ সাতক্ষীরায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় একজন ভারতীয় শ্রমিকসহ নিহত-৩ ঘাটাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় কৃষি কর্মকর্তাসহ নিহত ২ আহত-১ মুরাদনগরে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির অপরাধে আটক-১ সালথায় দেশীয় প্রজাতির পোনা মাছ অবমুক্তকরণ দশমিনায় শিক্ষার্থীর কীটনাশক খেয়ে আত্নহাত্যা মহিলা অধিদপ্তরের জেন্টার প্রমোটর কে নির্যাতনের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন নাজিরপুরে মামার ইজি বাইকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ভাগিনার মৃত্যু শাহজাদপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তর কতৃত রোগীদের চেক বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনার শরণখোলায় ৪ হাজার নারিকেল চারা বিতরণ পাকিস্তানে বেড়েছে গাধা দেশের কারাগারে আটক ৩৬৩ বিদেশি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সকালে খালি পেটে আদার রস খাবেন যে কারণে বড় দুঃসংবাদ পেলেন সাকিব মুরাদনগর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে শপথ নিলেন ড. কিশোর ২৪ ঘন্টার মধ্যে কোরবানীর পশুর বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে : তাপস গেরস্তের গরুতে আস্থা ক্রেতাদের দাম নিয়ে খামারিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পাইকগাছায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের শ্রদ্ধা নিবেদন কাপ্তাইয়ে পুলিশের অভিযানে চোলাই মদসহ আটক-২ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা ও পানি ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী কৃষকের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তিতে কৃষি বিপনণ অধিদপ্তরের শগঋক (শস্য গুদাম ঋণ কার্যক্রম) মডেলের ভূমিকা” শীর্ষক প্রারম্ভিক জাতীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত  শাহজাদপুরে ৩ আসামী গ্রেফতার কেপিএম সিবিএ নির্বাচনে শ্রমিক কর্মচারী পরিষদ বিজয়ী সারাদেশে কতজন রোহিঙ্গা ভোটার, জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট ২০৪১ সালে ৮৫ লাখ মেট্রিকটন মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ : আব্দুর রহমান ফেনীতে উপজেলা নির্বাচনে পরাজিত ১৮ প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নবীগঞ্জে জমে উঠেছে পশুর হাট শেরপুরের সন্তান ওয়াকার উজ জামান সেনাপ্রধান হওয়ায় শেরপুরে আনন্দ মিছিল তুরাগে এক কিশোরীর আত্মহত্যা কাপ্তাইয়ে ৪০ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পেল মাচাং ঘর

আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মাতৃগর্ভে শিশুমৃত্যু, জানুন কারণ ও প্রতিকার

ঢাকা প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ১৩ মার্চ, ২০২৩, ৩:১৪ অপরাহ্ন

বড় থেকে ছোট- সব হাসপাতালেই কমেছে প্রসব, বেড়েছে সিজার। একইসঙ্গে বাড়ছে শিশু ও মায়ের মৃত্যু। প্রসব পরবর্তী নানা জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে এলেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না। পুষ্টির অভাবে এবং জন্মকালীন সতর্কতা না মেনে চলার কারণে প্রতিদিন কয়েকশ শিশুর মাতৃগর্ভেই মৃত্যু হয়।

এরকম ঘটনা বিশেষ করে লক্ষ্য করা যায় গ্রামীণ এলাকায়। সমস্যা সমাধানে গ্রামীণ প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবাকেন্দ্রগুলোকে সচল রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, গ্রামে এখনো অনেক সুযোগ সুবিধা পৌঁছাতে পারেনি। দুর্বল রাস্তাঘাট, শিক্ষার অভাব এর জন্য দায়ী।

এখনও গ্রামের লোকেরা বেশ কিছু কুসংস্কার বা পুরোনো প্রথা মেনে চলে প্রসবের ক্ষেত্রে, যা একদমই উচিত না।

গর্ভাবস্থায় মহিলাদের স্বাস্থ্য কতটা নিরাপদ? এ বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি নানা উদ্যোগ যদিও নেওয়া হয়, তবে সেটা যথেষ্ট নয়। বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প, উদ্যোগ নেওয়ার পরও শিশু ও মহিলার মৃত্যু বাড়ছে। জন্ম নেওয়ার পর মারা যাচ্ছে শিশু। তার কারণ হতে পারে মায়ের অসুস্থতা।

মায়ের শরীরের ভাইরাস রক্তের মাধ্যমে শিশুর শরীরে প্রবেশ করে। গ্রামে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকার কারণে সেই রোগীর সঠিক চিকিৎসা করা সম্ভব হয় না। ফলে জন্মের আগে অথবা জন্মের পরেই শিশুটি ঢলে পড়ছে মৃত্যুর মুখে।

গর্ভাবস্থায় একজন মহিলার যে বিষয়ের উপর সবচেয়ে বেশি নজর দিতে হয় তা হলো মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য। ডাক্তাররা মনে করেন, তার জন্য গর্ভবতী মাকে অন্তত তিনবার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে রু্টিন চেকআপ করা দরকার। এছাড়া যে সমস্যাগুলো রয়েছে তা হলো পর্যাপ্ত হাসপাতালের অভাব। প্রসূতি বিভাগের অভাব, হাসপাতালে কাজ করার জন্য কর্মীর অভাব।

বর্তমানে মেয়েদের নানাভাবে শিক্ষিত করার চেষ্টা করছে সরকার। চালু হয়েছে সরকারি নানা উদ্যোগ। তা সত্বেও থেকে যাচ্ছে ফাঁক। তাদের মধ্যে এখনো আছে সচেতনতার অভাব। তাই প্রাথমিকভাবে একজন মেয়েকে শিক্ষিত করা অবশ্যই দরকার। একমাত্র তাহলেই কমতে পারে শিশুমৃত্যুর হার।


এই বিভাগের আরো খবর