আশুলিয়ায় গ্রামকে শহরের রূপান্তর করার প্রচেষ্টায় সাইফুল ইসলাম

সারাবাংলা

খোরশেদ আলম, আশুলিয়া থেকে:
আশুলিয়ায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ভোটার সংখ্যা এবং শিল্প-কলকারখানা তুলনামূলক অনেক বেশি। তাই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে লক্ষে শহরের সুবিধা গ্রামে পৌছে দেওয়ার নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে আশুলিয়া থানা ধীন স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম গ্রামকে শহরে রূপান্তর করার লক্ষে প্রচেষ্টা এবং পৌরসভার রূপান্তরিত রূপ ধারণ করার জন্য। ২০১৬ সালে ইউপি নির্বাচনে বাংলাদেশের সব্বোর্চ বেশি ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ধামসোনা ইউনিয়নকে একটি মডেল শহরে রুপান্তরিত করার জন্য রাস্তাঘাট,কালভাট,ড্রেনেজ ব্যবস্তাসহ নাগরিকদের আধুনিক সুবিদা দেওয়ার জন্য দিন রাত শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তার প্রচেস্টায় একটি ইউনিয়ন শহর ও পৌরসভায় রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। এই ইউনিয়নটি পৌরসভা হলে একদিকে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় পাবে অন্যদিকে নাগরিকরা নানা রকম সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এব্যাপারে একান্ত সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত বলেন স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-আহবায়ক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আমি ধামসোনা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর প্রায় প্রত্যেকটি রাস্তা বিধ্বস্ত অবস্থায় ছিল । যে রাস্তায় কোন গাড়ি চলতে পাড়তো না রিক্সা ভ্যান চলতে অনেক কষ্ট হতো এবং মানুষের যাতায়াতে অনেক দুর্ভোগ ছিল। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর আমাদেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনা অনোযায়ী প্রত্যেকটি রাস্তা আরসিসি ঢালাই দ্বারা উন্নয়ন করেছি। যে রাস্তাগুলো করেছি আগে ছোট্ট রাস্তা ছিলো সেগুলো অনেক প্রশস্ত করেছি। আমার ইউনিয়ন পরিষদের এলাকার সকল রাস্তাই কমপক্ষে ১৮ফিট প্রশস্ত করে আরসিসি ঢালাই দিয়ে আমি নির্মাণ করেছি। অনেক রাস্তাই এর চেয়ে অনেক বেশি প্রশস্ত এবং যে রাস্তায় ড্রেনের প্রয়োজন সেখানে আরসিসি ড্রেন নির্মান কওে রাস্তাগুলো উন্নয়ন করেছি। এখন আমার ইউনিয়নের প্রায় ৭০ ভাগ বড় রাস্তা নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছি। এবং কিছু রাস্তা বাকি আছে যে রাস্তাগুলোর কাজ চলমান আছে। আমি আমার ধামসোনা এলাকার প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে সমভাবে উন্নয়ন হয়েছে। কোন জায়গায় উন্নয়ন কম করি নি। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে এ ভাবে আরসিসি ডালাই দ্বারা রাস্তা নির্মান করেছি। অনেক ড্রেন,কালবার্ট, খালখনন করে দিয়েছি। বিগত দিনে এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ছিল কোন চেয়ারম্যান এতো উন্নয়ন করতে পারে নি। যা আমি করেছি তাই ধামসোনা ইউনিয়নের জনগণ এই উন্নয়নে অনেক খুশি।
আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এবং আমাদের সাভারের এমপি,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের প্রতি মন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানের সহযোগিতায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছি ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায়।
ডিইপিজেড থেকে ভাদাইল সড়কটি বেহাল অবস্থা এমন প্রশ্নের জবাবে সাইফুল ইসলাম বলেন, এই রাস্তাটি আগামী ১মাসের মধ্যে টেন্ডার হবে আরসিসি ঢালাই দ্বারা নির্মাণ করা হবে। এবং ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে আরসিসি ড্রেনও নির্মাণ করে দেয়া হবে। পাশাপাশি নতুন ইপিজেড থেকে একটি পকেট গেট করা হবে যেটি ভাদাইলের সিমানা দিয়ে বের হবে। এই পকেট গেটটি হলে ভাদাইল এলাকায় যেসমস্ত ইপিজেড শ্রমিকরা বসবাস করেন তারা খুব সহজেই নতুন ইপিজেডে প্রবেশ করতে পারবেন।
তিনি আরো বলেন, ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ এলাকাটিকে পৌরসভায় উন্নতি করার জন্য আমি আবেদন করেছি। আমার ধামসোনা ইউনিয়নের সকল মানুষের দাবী এবং আমার ইউনিয়নের নির্বাচিত ইউপি সদস্যদের দাবী আমি ব্যাক্তিগত ভাবে চেয়েছিলাম ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদটি পৌরসভায় উন্নতি করা হোক কারন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রত্যেকটি গ্রাম হবে শহর।অথাৎ গ্রামের প্রতিটি মানুষ শহরের নাগরিক সুবিধা পাবে।আমি মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ধামসোনা ইউনিয়নকে পৌর সভা করার জন্য আবেদন করেছি।এই ধামসোনা ইউনিয়নকে পৌরসভায় উন্নত করলে সরকার অনেক রাজস্থ পাবে অন্যদিকে নাগরিকরা অনেক সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারবে।এই এলাকায় অনেক শিল্পকারখানা অপরিকল্পিত গড়ে উঠেছে ঢাকা রপ্তানী পক্রিয়া অঞ্চলসহ বহু শিল্প প্রতিষ্ঠান থাকায় বাংলাদেশের ৬৪ জেলার লোক চাকুরী ও ব্যবসা করতে এসে জায়গা জমি কিনে স্থায়ী ভাবে বসবাস করছে লেখা পড়া করতে এখানে অনেক ভালো মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে।এখানে এতো জনগণ সে তুলনায় রাস্তাঘাট অনেক শরু আরো অনেক রাস্তাঘাট প্রয়োজন ইউনিয়নের পরিষদের পক্ষে এতো উন্নয়ন করা অনেক দৃষ্টান্ত ব্যাপার ।
মাননীয় স্থানীয় সরকারের সিনিয়র সচিব মহোদয় অত্যন্ত পজেটিভ ভাবে বিষয়টি নিয়েছেন আমাদের মাননীয় দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতি মন্ত্রী ডা, এনামুর রহমান এমপি এব্যাপারে ডিউ লেটার দিয়েছেন আমি আশা করি লকডাউনের পরেই ইউনিয়ন পরিষদের এলাকাকে শহর এলাকা ঘোষনা করা হবে। শহর এলাকা ঘোষনার এক মাস পর নিকারের মিটিংয়ে অনুমোদন হয়ে পৌরসভা ঘোষনা করা হবে। আমি সরকারের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ অতিদ্রুত স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নকে পৌর সভা করা হয়।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *