ইলিশসহ সব মাছের প্রজনন বৃদ্ধির জন্য ২২দিন মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা

সারাবাংলা

জেলায় নিবন্ধিত ৬৭,৮৪৮জন জেলের মধ্যে প্রায় ৫৮হাজার ইলিশ শিকারী পাচ্ছে অবরোধকালীন সরকারি প্রনোদনা।

হাফিজুর রহমান আকাশ, কুয়াকাটা থেকে
মা ইলিশের বাধাঁহীন প্রজনন, ইলিশসহ সব মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ১৪ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে ২২দিনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা। এ সময়ে জেলেদের দেওয়া প্রনোদনা বাড়ানোসহ প্রতিবেশী দেশের জেলেদের মাছ ধরা বন্ধের দাবী পটুয়াখালীর উপকূলীয় এলাকার জেলে ও ব্যবসায়ীদের।
আশ্বিনের পূর্নিমার শেষ সময়ে গভীর সাগর থেকে উপক’লীয় অঞ্চলের নদীর মোহনায় এসে ডিম ছাড়ে মা ইলিশ। প্রজননের এ সময়কে বাধাঁহীন করতে ১৩ অক্টোবর রাত ১২টা থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২দিনের জন্য নদী ও সামুদ্র থেকে সব ধরনের মাছ শিকার, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয়, বিনিময় নিষিদ্ধ করেছে মৎস্য অধিদফতর। মৎস্য বিভাগের সময়পোযোগী এমন সিদ্বান্তে মাছের উৎপাদন বাড়ায় খুশী জেলেরা। তবে কর্মহীন এসময়ে জেলে প্রতি ২০কেজি করে দেওয়া চালের প্রনোদনা বাড়ানোসহ আবরোধকালীন সময়ে প্রদানের দাবী জেলেদের।
আনসার উদ্দিন মোল্লা, আলীপুর-কুয়াকাটা ট্রলার মালিক ও মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জানান, জেলেদের প্রদেয় প্রনোদনা বাড়ানোর দরকার প্রতিটি জেলে পরিবারে ৫ জনের বেশি সদস্য থাকে।
মোল্লা এমদাদ্যুলাহ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, (পটুয়াখালী) জানান, অবরোধ সফল করতে প্রচারনাসহ জেলে-ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠক করা হচ্ছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। চলতি বছর শতভাগ ইলিশ শিকারী জেলেদের প্রনোদনা দেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *