উদ্ধারকাজে নদীতে নেমে ডুবুরির মৃত্যু: পরিবার পেল ১০ লাখ টাকা

রাজধানী

ডেস্ক রিপোর্ট: উদ্ধারকাজে অংশ নিয়ে মৃত্যুবরণকারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল  ডিফেন্স অধিদপ্তরের ডুবুরি মরহুম আব্দুল মতিনের পরিবারের হাতে ফায়ার সার্ভিস ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দিলেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল। ১২ অক্টোবর বিকেল ৩-০০টায় অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আর্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মরহুম আব্দুল মতিনের স্ত্রী জনাব নাসিমা খাতুনের হাতে এই চেক তুলে দেয়া হয়। এ সময় অধিদপ্তরের পরিচালকগণ, প্রকল্প পরিচালকগণ, ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাগণসহ বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এ বছরের ২৮ আগস্ট দিনাজপুরের পুনর্ভবা নদীতে ডুবে যাওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধারে নামার পর পানির নিচে কোনো কিছুতে আটকে যায় ডুবুরি আব্দুল মতিনের লাইফ লাইন। ফলে ওপরে অপেক্ষমাণ সহকর্মীরা তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেননি। একপর্যায়ে সহকর্মীরা তার বিপদ অনুমান করে তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে প্রেরণ করলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। তার পরিবারের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দিয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, “এটি আব্দুল মতিনের পরিবারের জন্য কোনো ক্ষতিপূরণ নয়। আমরা মতিনের বীরোচিত মৃত্যুকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এবং এই চেক প্রদানের মাধ্যমে তার পরিবারকে জানাতে চাই যে, আমরা তার পরিবারের সাথে আছি।”

একই অনুষ্ঠানে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ৩ জন সদস্যের প্রত্যেকের পরিবারকে ১ লাখ টাকা অনুদানের চেক দেওয়া হয়। এছাড়া আরমানিটোলার অগ্নিদুর্ঘটনায় অগ্নিনির্বাপণের সময় আহত ফায়ারফাইটার বিষ্ণুপদ মিস্ত্রির হাতেও অনুদানের চেক তুলে দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ হাবিবুর রহমান, পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এস এম জুলফিকার রহমান। আর্থিক অনুদানের চেক পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে কৃতজ্ঞতা জানান আব্দুল মতিনের স্ত্রী নাসিমা খাতুন ও করোনায় মৃত্যুবরণকারী অপারেটর আইরিন পারভীনের স্বামী জনাব নজরুল ইসলাম। খবর বিজ্ঞপ্তির।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *