উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে পরিচিত ধামসোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম

সারাবাংলা

খোরশেদ আলম, আশুলিয়া থেকে : সাইফুল ইসলাম জনসাধারণের সেবা করার উদ্দেশ্যেই যিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স করেন। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি গত ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহন করে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি বর্তমানে সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনাকে বুকে ধরে সততা ও সাহসিকতাই নিয়ে রাজনীতি করে চলেছেন তিনি। আজ অবধি তিনি কোনো অন্যায় অবিচারের সঙ্গে আপোষ করেননি। দৃঢ় অবস্থানের কারণে নিজ নির্বাচিত এলাকায় দিনের পর দিন তার জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। বর্তমানে যার বিকল্প হিসেবে অন্য কাউকে দেখছে না এলাকাবাসী। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সেই মেধাবী ও পরিশ্রমী মানুষটি আশুলিয়ার জননন্দিত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
রাজধানী ঢাকার উপকন্ঠ সাভারের আশুলিয়ার স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়ন। এক সময়ের অবহেলিত এই অঞ্চলটির সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য তেমন কোনো পাকা কিংবা আরসিসি ঢালাইয়ের রাস্তা ছিল না। ফলে চলাচলের সময় নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতেন তারা। জনসাধারণের এই দুর্দশা আর দুর্বস্থা দেখে জনগণের সেবা করার উদ্যেশে ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন। ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ইতোমধ্যে এই ইউনিয়নের রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের শতকারা ৯০ ভাগ সম্পন্ন করেছেন। পাল্টে দিয়েছেন সম্পূর্ণ ইউনিয়নের সামগ্রিক চিত্র।
ধামসোনা ইউনিয়নের পল্লিবিদ্যুৎ, ডেন্ডাবর, গাজিরচট, বাইপাইল, কাইচাবাড়ী, বলিভদ্র ও ইউনিক এলাকার বিভিন্ন আরসিসি ঢালাইয়ের রাস্তা এবং সঙ্গে ড্রেনেজ ব্যবস্থা দেখে আপনার মনে হতে পারে আপনি কোনো মডেল টাউনে এসেছেন। তাই এই ইউনিয়নকে একটা মডেল ইউনিয়ন বলা যেতেই পারে। উন্নয়ন কাজের পাশাপাশি মহামারি করোনাকালীন পরিস্থিতির শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত এই ইউনিয়নের কর্মহীন ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে খাদ্য এবং স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী দেওয়াসহ বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডে কারণেই তিনি আজ জননন্দিত। অন্যদিকে তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পর থেকে এলাকায় মাদক এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতি অবলম্বনে কাজ করে চলেছেন। ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের এমপি ও বাংলাদেশ সরকারের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রি ডা. এনামুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলছে তার আগামীর পথচলা। শুধু নিজস্ব নির্বাচনী এলাকা নয়, বরং তার পরিচয় ছড়িয়ে পড়ে আশুলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে। পরোপকার ও দরিদ্র মানুষকে সহায়তাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্যই তিনি আশুলিয়ার জনসাধারণের কাছে বেশ পরিচিত।
ধামসোনা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাজী মতিউর রহমান বলেন, সাইফুল চেয়ারম্যান স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের উন্নয়নের রূপকার। সাইফুল চেয়ারম্যানের বিকল্প হিসেবে অন্য কাউকে ভাবতে চাই না। বাংলাদেশকে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করে জাতীয় শ্রমিক লীগ আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. ইমাম হোসেন বলেন, এই অগ্রযাত্রার একজন অন্যতম কর্মী আমাদের ইউপি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ভাই। তিনি ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এলাকায় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী ও মাদক ব্যবসাসহ সব ধরনের অপরাধ নির্মূল করতে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে নিজ নির্বাচনী এলাকাসহ আশুলিয়ার সবকয়টি ইউনিয়নে নিজের ব্যক্তিগত তহবিল হতে ত্রাণ দিয়ে আসছেন। তাই আমরা আগামীতে তার বিকল্প প্রার্থী হিসেবে অন্য কাউকে দেখছি না। তিনি আরও বলেন, আশুলিয়ার এই জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ভাইকে আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করার জন্য আওয়ামী লীগসহ এর অঙ্গসংগঠনের ভাইয়েরা সবাই একত্রে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে বলে আমি আশাবাদী। উনাকে জয় করবেন ইনশাল্লাহ।
ধামসোনা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দুইবারের মেম্বার মইনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আমি দুইবার মেম্বার নির্বাচিত হয়েছি, কিন্তু সাইফুল চেয়ারম্যানের সময়ে এত বেশি কাজ হয়েছে আর কোনো চেয়ারম্যানের সময়ে এত কাজ কখনো হয়নি। ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার শফি উদ্দিন বলেন, আমার এলাকায় আগে কোন আরসিসি ঢালাইয়ের কোনো রাস্তা ছিল না, বর্তমানে প্রায় রাস্তায় আরসিসি ঢালাই হচ্ছে। সাইফুল চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে আমি অনেক রাস্তা ড্রেনের কাজ করেছি, আমার ৯নং ওয়ার্ড বর্তমানে ৮০ ভাগ কাজ শেষ, শুধু সাইফুল চেয়ারম্যান এর অবদান। আগামীতে আবারও চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চাই। ৬নং ওয়ার্ডে শ্রীপুর এলাকা থেকে মাহফুজ আহমেদ বলেন, আমাদের শ্রীপুর এলাকা সব সময় জলাবদ্ধতা থাকতো, কিন্তু সাইফুল ভাই চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে আমাদের এলাকা অনেক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। তাকে আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তার মত চেয়ারম্যান আমাদের এলাকায় দরকার। ৭নং ওয়ার্ডের গাজীচটের কৃতিসন্তান এনামুল হক মুন্সী বলেন সাইফুল চেয়ারম্যান এর বিকল্প কোনো চেয়ারম্যান আমরা ভাবতে পারছি না, উনি এক জন্য উন্নয়নের রোল মডেল স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের জন্য। ধামসোনা ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডের এক কৃষক মানসুর আহমেদ বলেন, বিগত ৪০ বছরেও স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়ন এত কাজ হয় নাই যে কাজ সাইফুল চেয়ারম্যান সাড়ে চার বছরে করেছে। সামনে নির্বাচনে যদি সাইফুল চেয়ারম্যান নৌকা প্রতীক যদি নাও পায়, যেকোনো মার্কায় থাকলেই চলবে আমরা তাকে ভোট দেবো । এরকম চেয়ারম্যান আমাদের আবারও দরকার আছে।
ধামসোনা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় সাইফুল চেয়ারম্যান এর বিকল্প কোন চেয়ারম্যান তারা চায়না। তারা শুধুই বলে বিগত ৫০ বছরেও সেই রকম কোনো উন্নয়ন হয় নাই। যা সাইফুল চেয়ারম্যান সারে ৪ বছরেই করে দেখাইছেন, আমরা উনার মত চেয়ারম্যানকে আবারও চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। যেমন স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাংলাদেশের সবচাইতে বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তেমনি আমরা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উন্নয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই সাইফুল ইসলামকে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *