এক পোয়ার দাম পৌনে ৩ লাখ টাকা!

সারাবাংলা

ডেস্ক রিপোর্ট: একটি পোয়া মাছের ওজন ৩৬ কেজি ৭০০ গ্ৰাম। ওই পোয়া মাছটি বিক্রি করা হয়েছে দুই লাখ ৮০ হাজার টাকায়। এর আগে কক্সবাজারে টেকনাফ উপকূলের সাগরে জালে বিশাল আকারের মাছটি ধরা পড়ে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফ উপকূলে বঙ্গোপসাগরের ১৭ বাইন এলাকায় মাছটি জালে ধরা পড়ে। ওই মাছটি দেখতে টেকনাফে কায়ুকখালীয়া মৎস্য ঘাটে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়।

ওই ট্রলারের মাঝি মোহাম্মদ শফিক বলেন, গত শনিবার সকালে তার মালিকানাধীন ট্রলারটি নিয়ে ১০ জন মাঝি-মাল্লা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। এ সময় মাছ ধরার জন্য লাক্ষা জাল সাগরে ফেলা হয়। জালটি বারবার টান দিচ্ছিল। তখন মনে হয় বড় কিছু জালে আটকেছে। জাল টেনে কাছে আনতেই বড় মাছ দেখা যায়। পরে মাছটি ধরে নৌকা নিয়ে তীরে ফেরত আসি।

তিনি বলেন, তীরে ফিরে মাছটি ওজন করে দেখি মাছটির ওজন ৩৬ কেজি ৭০০ গ্ৰাম। মাছটি দুই লাখ ৮০ হাজার টাকায় সাবরাং ইউনিয়নের রুহুল্লার ডেবা এলাকার আজিজ উল্লাহর ছেলে মাছ ব্যবসায়ী নুরুল ইসলামের কাছে বিক্রি করেছি।

মাছটির ক্রেতা নুরুল ইসলাম বলেন, আমি ঝুঁকি নিয়ে মাছটি কিনেছি। মাছটি এখনও বিক্রি করিনি।

ওই পোয়া মাছটি কেটে বিক্রি করলে প্রতি কেজির দাম ৭০০ টাকার বেশি পাওয়া যাবে না। তবে এর বায়ুথলির দাম অনেক চড়া। এ মাছের বায়ুথলির দাম অনেক বেশি হওয়ায় চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রির জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী পিকে দাশের কাছে মাছটি বিক্রি করতে পারেন জানিয়ে তিনি বলেন, পিকে দাশ বিদেশে মাছ ও মাছের বায়ুথলি রফতানি করে থাকেন। পোয়া মাছটির বায়ুথলির ওজন ৯০০ গ্রামের বেশি হলে ভালো লাভ হবে আর কম হলে লোকসান হবে বলে তিনি জানান।

টেকনাফ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, এত বড় পোয়া মাছ সহজে ধরা পড়ে না। পোয়া মাছের বায়ুথলি বা এয়ার ব্লাডারের কারণে মাছটির অত্যধিক মূল্য। এটির এয়ার ব্লাডার দিয়ে বিশেষ ধরনের সার্জিকাল সুতা তৈরি করা হয়।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *