এখনও ঝুঁকি নিয়েই কাজ করছে ঢাকার দুই সিটির পরিচ্ছন্ন কর্মীরা

জাতীয় নগর–মহানগর

এসএম দেলোয়ার হোসেন:
বৈশ্বিক মহামারি প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার কঠোর নির্দেশনা দিলেও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েই কাজ করছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রায় ১০ হাজার পরিচ্ছন্ন কর্মী। করোনার ভয়াল থাবায় নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও নগরবাসীর নিয়মিত সেবার পাশাপাশি বিশেষ সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন দুই সিটির মাঠ পর্যায়ের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা। বাসা-বাড়ি, হাসপাতাল আর সড়কের উচ্ছিষ্ট বর্জ্য অপসারণে স্বাস্থ্যবিধি পালনে কঠোর দিক নির্দেশনা থাকলেও কেউই তা মানছে না। হ্যান্ড স্যানিটাইজার-মাস্ক ব্যবহার তো দুরের কথা হ্যান্ডগ্লোভস, গানবোটসহ অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনীয় সুরক্ষাসামগ্রী ছাড়াই ঢাকার দুই সিটিতে প্রতিনিয়ত পরিচ্ছন্নতার কাজ করছেন এসব কর্মীরা। ঢাকার দুই সিটির পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী বিশেষ ঝুঁকিভাতা ও প্রণোদনা পাওয়ার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি ডিএনসিসি ও ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে দুই সিটির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআরবি যৌথ গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর ৪৫ শতাংশ মানুষ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্জ্য অপসারণে পরিচ্ছন্ন কর্মীদের অবশ্যই সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করতে হবে। অন্যথা করোনায় আক্রান্তসহ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। করোনা সংক্রমণরোধে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর হতে হবে এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীদেরও সচেতন হতে হবে। বেসরকারি সংস্থা ওয়াটার এইড বাংলাদেশের জরিপ বলছে, করোনার প্রাদুর্ভাবরোধে এ সংক্রান্তে ঢাকা দুই সিটির পরিচ্ছন্ন কর্মীদের প্রশিক্ষণের অবাব রয়েছে। মহামারির এই দুঃসময়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, সুরক্ষাসামগ্রী প্রদান নিশ্চিতকরণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বীমার আওতায় আনতে হবে। ঢাকার দুই সিটির পরিচ্ছন্ন কর্মীসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবায় গোটা বিশ্ব টালমাটাল হয়ে যায়। করোনার প্রাদুর্ভাবে স্থবিরতা নেমে আসে বিশ্ব অর্থনীতিতে। নীরব প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) পর্যন্ত বিশ্বের ২১৫টি দেশে ১১ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৪ কোটি ২২ হাজার ৯২৫ জন। আইইডিসিআর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর থেকে বাড়তে থাকে সংক্রমণের সংখ্যা। অদৃশ্য প্রাণঘাতী করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের মানুষের মাঝে। করোনার প্রাদুর্ভাবে দেশের অর্থনীতিতেও ধস নামতে থাকে। এ রোগ নিয়ন্ত্রণে সরকারও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১৮ মার্চ থেকে সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয় সরকার। যা অদ্যবধি চলমান রয়েছে। বন্ধ করে দেয় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি সচল রাখতে এবং করোনার সংক্রমণ রোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর দিক নির্দেশনায় এলাকাভিত্তিক লকডাউন দিয়ে গত জুন থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলে দেওয়া হয় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। গত ২৪ ঘন্টায় (১৮ অক্টোবর পর্যন্ত) বাংলাদেশে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ২ জন নারী রয়েছেন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৬০ জনে। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৭৪ জন। সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৯ জন। মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ২১ লাখ ৬৩ হাজার ৫৬৮টি। আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা প্রতিদিনে পাঠানো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, ঢাকার দুই সিটির পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা সরাসরি সিটি করপোরেশনের অধীনে না হলেও তারা এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে কাজ করেন। সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো ঢাকার দুই সিটির সংশ্লিষ্ট বিভাগের দপ্তর থেকে অনুমোদন নিয়ে ভ্যানগাড়ির মাধ্যমে বিভিন্ন বাসা-বাড়ি থেকে ময়লা সংগ্রহের পর সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে নিয়ে যায়। রাজধানী ঢাকার দুই সিটিতে করোনায় আক্রান্তদের শতকরা ৮০ ভাগই বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদেরসহ বাড়ির স্স্থুদেরও ব্যবহৃত সুরক্ষাসামগ্রী সরাসরি সংগ্রহ করেন সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। রাত ১১টা থেকে বেলা এগারটা পর্যন্ত ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে সেকেন্ডারি স্টেশনে নিয়ে যান তারা। এরপর সিটি করপোরেশনের ট্রাকে তোলা হয় এসব বর্জ্য। সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কার্যালয়ে এসব পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য নেই হাত ধোয়ার কোনো সুবিধা। কারো মুখে থাকে না মাস্ক, হ্যান্ডগ্লোভস, জুতাসহ অন্যান্য সুরক্ষাসামগ্রী।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৩ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩১ দফা নির্দেশনার মধ্যে একটি ছিলো, কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় নিয়োজিত সব চিকিৎসক, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, অ্যাম্বুলেন্সচালকসহ সংশ্লিষ্ট সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে। অপরটি হলো, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিশ্চিত করা। সারা দেশের সব সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে ঢাকা শহর। প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণের শঙ্কার মধ্যেই মাস্ক, হ্যান্ডগ্লোভসসহ কোন ধরনের সুরক্ষা উপকরণ ছাড়াই আবর্জনা সংগ্রহ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা আক্রান্ত হলে নগরবাসীও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়বেন বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।
বেসরকারি সংস্থা ওয়াটার এইড বাংলাদেশের জরিপ বলছে, দক্ষিণ এশিয়ার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা সীমিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জাম ও জীবাণুমুক্তকরণের সুবিধা ছাড়াই কাজ করে যাচ্ছেন। সেফটি অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং অব স্যানিটেশন ওয়ার্কার্স ডিউরিং কোভিড-১৯ ইন সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের করোনা সচেতনতার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব রয়েছে। মাহামারির এই দুঃসময়ে তাদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বীমা চালু করা জরুরি।
পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা জানান, ঢাকার দুই সিটিতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা ঢাকা শহরের রাস্তা, ফুটপাত, অলিগলি, কাঁচাবাজার, মাঠ-ঘাট ঝাড়ু দেয়া এবং বাসাবাড়ি ও হাসপাতালের জমানো বর্জ্য নিয়মিত অপসারণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তাদের সুরক্ষাসামগ্রী প্রদান করা হয় না। কর্তৃপক্ষও তাদের প্রতি উদাসীন। এরপরও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েই প্রতিনিয়ত দৈনন্দিন পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছেন তারা।
এদিকে ঢাকার দুই সিটির একাধিক বাড়িওয়ালা জানান, তাদের বাসা থেকে যারা ভ্যানগাড়ি দিয়ে ময়লা নেন, তারা কেউ মাস্ক ও হ্যান্ডগ্লোভস ব্যবহার করেন না। এসব পরিচ্ছন্নকর্মীদের মাস্ক ও হ্যান্ডগ্লোভসসহ সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করা খুবই জরুরি বলে জানান বাড়িওয়ালারা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সংগঠন স্ক্যাভেঞ্জার এন্ড ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ ঢাকা প্রতিদিনকে জানান, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জীবনের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে রাত থেকে পরদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত নগরীতে ময়লা আর্বজনা পরিষ্কার করে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। নগরীকে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার রাখা হচ্ছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত বিশেষ প্রণোদনা ও ঝুঁকিভাতার বিষয়ে এখনও দুই সিটি কর্তৃপক্ষ তাদের কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। ইতোমধ্যে মেয়রের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে বলেও জানান আব্দুল লতিফ।
এদিকে করোনাভাইরাস নিয়ে গত ১২ অক্টোবর একটি যৌথ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআরবি। যৌথ ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর ৪৫ শতাংশ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রয়েছে। আক্রান্তদের ২৪ শতাংশ মানুষ ৬০ বছরের উপরে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা শহরের বস্তির প্রায় তিন চতুর্থাংশ মানুষ ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন। তাদেও মধ্যে করোনার কোন উপসর্গ ছিল না। ডিএনসিসি ও ডিএসসিসি’র ১২৯টি ওয়ার্ডেও মধ্যে দৈবচয়ন ভিত্তিতে ২৫ ওয়ার্ড নির্ধারণ করে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে একটি মহল্লা বাছাই করা হয়। প্রতি মহল্লা থেকে ১২০টি খানা জরিপে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এছাড়া ৮টি বস্তিকে জরিপের আওতায় আনা হয়। নমুনা ও রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে করোনা আক্রান্তের এ তথ্য গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে আসে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।
ঢাকার দুই সিটি পরিচ্ছন্নতা ও সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহারের ব্যাপারে ঢাকা মেডিকেলের অধ্যক্ষ এবং মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. খান আবুল কালাম আজাদ ঢাকা প্রতিদিনকে জানান, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অবশ্যই ময়লা সংগ্রহের সময় হ্যান্ডগ্লোভস ও মাস্ক পরতে হবে। অন্যথায় তারা যে বাড়ি থেকে ময়লা নেবে সেখান থেকে ভাইরাস ছড়াতে পারে।
এদিকে ঢাকার দুই সিটির বর্জ্য বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান, ঢাকার দুই সিটিতে বাসা-বাড়ি, হাসপাতাল আর সড়কের বর্জ্য অপসারণে কাজ করছেন প্রায় ৮ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী। করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও তারা অনেকটাই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। তারা জানান, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেশকিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। করোনার সংক্রমণরোধে দেশি-বিদেশি দাতা সংস্থার দেওয়া সুরক্ষাসামগ্রী ৪ দফায় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। তবে কর্মীরা এসব যথাযথভাবে ব্যবহার করছেন না। তারা আরও জানান, দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে ঢাকার দুই সিটিতে কর্মরত পরিচ্ছন্ন কর্মীদের মাঝে সুরক্ষাসামগ্রীর বিভিন্ন উপকরণ দেওয়া হয়েছে। আসন্ন শীত মৌসুমে করোনার সংক্রমণরোধে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আবারো সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হবে। কঠোরভাবে মানানো হবে স্বাস্থ্যবিধি। প্রয়োজনে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করবে সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিরা। সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, ডিএনসিসিতে ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার এবং ডিএসসিসিতে ৩ হাজারের বেশি পরিচ্ছন্নতা কর্মী রয়েছেন। তবে বেসরকারিভাবে দুই সিটির পরিচ্ছন্ন কর্মীর সংখ্যা রয়েছে প্রায় ১০ হাজার।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *