এমসি কলেজে গণধর্ষণ: সম্পৃক্ততা স্বীকার করলেন সাইফুর-অর্জুন ও রবিউল

জাতীয়

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে নববধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানসহ তিনজন। অপর দু’জন হলেন- এজাহারের ৪ নম্বর আসামি অর্জুন লস্কর এবং ৫ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম।

শুক্রবার (০২ অক্টোবর) সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক জিয়াদুর রহমানের আদালতে অর্জুন লস্করের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। একই আদালতে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানেরও জবানবন্দি রেকর্ড হয়। আর সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক সাইফুর রহমানের আদালতে মামলার ৫ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

এ তিনজনের জবানবন্দি রেকর্ড করা শেষে রাত ১১টার দিকে তাদের আদালতে পাঠানো হয় বলে জানান সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারি কমিশনার (প্রসিকিউশন) অমূল্য ভূষণ চৌধুরী। এই তিন আসামিই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এর আগে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার বিকেলে এ তিনজনকে আদালতে আনা হয়। সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক তাদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিতে রাজি কি না তা জানতে চেয়েছেন, এজন্য তারা কিছু সময় চায়। পরে তারা স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হলে এ তিনজনের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

এ তিন আসামি ছাড়াও আলোচিত এ মামলায় এজাহার নামীয় তারেক আহমদ, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি ও মাহফুজুর রহমান মাছুম এবং এজাহারে থাকা রাজন ও  আইনুদ্দিন নামের সন্দেহভাজন দুই আসামিও ৫ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন। তবে তাদের রিমান্ড এখনও শেষ হয়নি।

এর মধ্যে রাজন, আইনুল ও মুহিবুর রহমান রনির রিমান্ড শেষে আজ শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আদালতে তোলার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে বেড়াতে আসা দম্পতির স্বামীকে আটকে রেখে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কলেজ ছাত্রাবাসে নববধূকে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ ঘটনায় ৬ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীর নামোল্লেখসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ওই গৃহবধূর স্বামী।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *