কটিয়াদীর আকর্ষণ শাহীন শাহ ॥ দাম ১৯ লাখ টাকা

সারাবাংলা

ছিদ্দিক মিয়া, কটিয়াদী থেকে:
এবারের কোরবানি ঈদে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার সেরা আকর্ষণ শাহান শাহ। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার চরপুক্ষিয়া (টুনিয়ারচর টাইগার মোড়) গ্রামের মৃত হাজী আ: বারিকের ছেলে শাহাব উদ্দিন শখের করে গরুর নাম রেখেছেন শাহান শাহ। ফ্রিজিয়ান জাতের শাহান শাহ নামের এই বিশাল ষাঁড়টির গায়ের রং কালো সাদা মিশ্রিত, ওজন প্রায় ১ হাজার ৮০ কেজি (২৭ মণ), দাম চাওয়া হচ্ছে ১০ লাখ টাকা। ভালো দাম পাওয়া আশায় প্রায় তিনবছর ৪ মাস ধরে নিজের সন্তানের মতো লালন পালন করে আসছেন শাহাব উদ্দিন ও তার পরিবারের লোকজন। চলতি বছরের ঈদুল আজহায় হাটে বিক্রি করবেন বলে আশা তার। তবে করোনাভাইরাসের কারণে এবার কোরবানি পশুর হাট বসবে কিনা এ নিয়ে দুশ্চিন্তা ভুগছেন তিনি।
গরুর মালিক শাহাব উদ্দিন জানান, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখেই পালিত গাভী প্রসবকৃত বাচ্চা থেকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভাবেই গরুটিকে লালন পালন করেছেন। শাহান শাহকে দেখাশোনা করেন ২ জন লোক। দূর থেকে দেখলে মনে হবে এটি বিশালকৃতির মহিষ। উচ্চতা ৫ ফিট ৬ ইঞ্চি, লম্বা ৯ ফুট, দাঁত ৬টি। লম্বা ও উচ্চতা একটি মহিষের থেকেও অনেক বড়। শাহীনশাহ খাবারের জন্য প্রতিদিন প্রায় হাজার খানেক টাকা ব্যয় হয়। খাবারের তালিকায় আছে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ কেজি ভেজানো ছোলা, গমের ভুসি, মিষ্টি কুমড়া এবং সবুজ কাঁচা ঘাসসহ বিভিন্ন খাবার। তিনি আরও বলেন, ফ্যানের বাতাস ছাড়া থাকতে পারে না ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়। বিদ্যুৎ না থাকলেও শাহান শাহ জন্য বিকল্প ব্যবস্থাও করা হয়েছে। প্রতিদিন তিনবার করে গোসল করাতে হয়। গোসলের পর আবার শুকনা কাপড় দিয়ে শরীরের জল মুছে ফেলতে হয়, যাতে ঠাণ্ডা না লেগে যায়। মাত্র তিন বছর ৪ মাসে বছরেই তিনি গরুটিকে এই উপযোগী করেছেন। তিনি আরও বলেন, গরুটির দাম চাচ্ছেন ১০ লাখ, তবে ৮ লাখ কিছু কম করে হলেও বিক্রি করে দেবেন। অনেক ক্রেতারাই ভিড় করছেন। তবে যে কেউ আসলে গরুটি দেখে পছন্দ হলে কিনে নিতে পারবেন। মাসুদ রানা আরও বলেন, আমার এ পর্যন্ত ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। মন মতো দাম পেলে বাড়ি থেকেই বিক্রি করবো। আর যদি ভালো দাম না পাই, তবে অন্য কোনো বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করবো।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *