কলারোয়ায় আনন্দঘই পরিবেশে বিজয়াদশমী

সারাবাংলা

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় পূজাকে সর্বাঙ্গ সুন্দর, স্বার্থক ও দেবীকে স্বাগত জানাতে সর্বত্র আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে, উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে চলছে দেবীর আরাধনা। শুধু হিন্দু সম্প্রদায় নয় দেশের অন্য ধর্মের মানুষেরাও এ উৎসবে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে নানাভাবে। গত ২২শে অক্টোবর ৬ষ্টী তিথিতে দেবী দূর্গার বোধন ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে সোমবার ৫ দিনব্যাপি চলছে এই দূর্গোৎসব। সারা দেশের ন্যায় কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপগুলোতে চলেছে দেবী প্রতিমার আরাধনা। কেননা পরম শ্রদ্ধা, আগ্রহ আর ভক্তিতে নিপুন হাতের পরম ছোঁয়ায় তুলির আঁচড়ে মূর্ত হয়ে উঠেন দেবী। সোমবার সকালে কলারোয়া পৌরসভাসহ অনেক জায়গায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ ঘুরে দেখা যায়, ভক্তদের আনাগোনা ঢাকের বাজনা ও কাশীরসুরের সঙ্গে তালমিলিয়ে পুরোহিতের গীতা ও রামায়ণ পাঠের দৃশ্য। এ বছর কলারোয়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার মোট ৪১ টি স্থানে দূর্গোৎসব উৎযাপিত হয়েছে।
কলারোয়া পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু মনোরঞ্জন সাহা বলেন, কলারোয়া উপজেলার পূজামণ্ডপ গুলিতে নিরাপত্তার জন্্য সার্বক্ষণিক আনসার ও গ্রামপুলিশের টহল ব্যবস্থা ছিল। তবে মহামারী করোনার কারণে স্বাস্থবিধি মেনে সাধারণভাবে সকলেই নির্বিঘ্নে আনন্দঘন পরিবেশে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পূজা উদযাপন করেছে বলে জানা গেছে।
কলারোয়া থানার ওসি আলহাজ্ব মীর খায়রুল কবির জানায়, পূজা উপলক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবক, আনসার ও পুলিশের সমন্বয়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স তাদের দায়িত্ব পালন করছে। উপজেলার কোনো পূজা মন্ডপকে তিনি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেননা তবে সব মণ্ডপকে সমান গুরুত্ব সহকারে নিরাপত্তার চাদরে বেষ্টিত করে রেখেছেন বলে জানান। তিনি আরো বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা সবার জন্য জরুরী। এজন্য আযান ও নামাজের সময় প্রত্যেক পূজা মন্ডপে মাইক বা লাউড স্পীকারের ব্যবহার অবশ্যই বন্ধ রাখার ব্্যবস্থা ও মাদক সেবী, ইভটিজার ও শান্তিভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া ছিল।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *