কাউকে দখল করতে দেওয়া হবে না রাস্তা কিংবা ফুটপাত: সুজন

সারাবাংলা

চট্টগ্রাম ব্যুরো
আমি জনগণকেই ফিরিয়ে দিতে চাই জনগণের হাঁটাচলার পথ। কারো দখল করার অধিকার নেই জনগণের সম্পদ। আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে ততোদিন যতদিন আমি দায়িত্বে আছি। রাস্তা কিংবা ফুটপাত কোনভাবেই দখল করতে দেওয়া হবে না যতো প্রভাবশালী হোক আর হকার হোক। চলমান থাকবে আমার এ উদ্যোগ। গত শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর অলংকার মোড় থেকে তাসফিয়া পর্যন্ত পোর্ট কানেকটিং রোডের উন্নয়ন কাজের ধারাবাহিক পরিদর্শনকালে চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন তার দৃঢ় প্রতিজ্ঞার কথা জানিয়ে এসব কথা বলেন। এসময় তিনি অলংকার মোড়ের ফুটপাত দখল করে থাকা সারিবদ্ধ দোকানগুলো তুলে দেন। চলতি পথে ফুটপাত দখল করে জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আইনে পেলে তিল পরিমাণ জায়গাও ছাড় দেওয়া হবে না। দখলবাজদের বিরুদ্ধে আমার জিরো টলারেন্স নীতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে অবৈধ দখল এবং কর্পোরেশনের ভাগাড় থেকে উচ্ছিষ্ট মধু আহরণকারী মৌমাছিদের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের উচ্ছেদ তৎপরতা এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় চলাকালীন সময়ের পূর্বে উচ্ছেদকৃত ফুটপাত আবার সেই আগের মতো দখলে যাচ্ছে। এ বিষয়ে আমার কাছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়শই তথ্য আসছে। তাই আমরা তাদের সতর্ক পর্যবেক্ষণ করছি। নিউমার্কেট এলাকার পরিস্থিতি এতোদিন আপনারা দেখেছেন। আর এখন বদলে গেছে নগরীর চিরচেনা সেই ফুটপাতের চেহারা। থেমেছে হকারদের দৌরাত্ম্য। চলাচলের পথে নেই ভাসমান দোকানপাট। হকারদের শৃংখলিত করার কারণে সুন্দর পরিবেশ ফিরে এসেছে রাস্তাঘাটে। জনগণ এখন নির্বিঘ্নে হাঁটাচলা করতে পারছে। স্বাচ্ছন্দ্যে হেঁটে যাতায়াতে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না কেউ। এমন অবস্থায় ফিরেছে নগরী। আমি মনে করি প্রচেষ্টা আর নাগররিক মূল্যবোধ থাকলে আগামী প্রজন্মের জন্য আমরা একটি বাসযোগ্য নগরী রেখে যেতে পারবো। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মো. তৈয়ব ও বিপ্লব দাশসহ আরও অনেকে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *