কালকিনিতে দুই পক্ষের সংঘর্ষ

সারাবাংলা

নাসিরউদ্দিন ফকির লিটন, কালকিনি থেকে:
মাদারীপুর জেলার কালকিনিতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষ চলাকালে মো. তাইজুল ইসলাম সাজ্জাত (২৮) নামে এক যুবলীগ নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এ ছাড়া এসময় মীরাজ খান (৪৫) নামে অপর এক যুবকের এক পা কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। তবে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহত মীরাজ কালাই সরদারেরচর গ্রামের বুলু খানের ছেলে ও আহত যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম সাজ্জাত মোহরউদ্দিরচর গ্রামের কাশেম তালুকদারে ছেলে। এলাকা ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউপি যুবলীগের সভাপতি মো. তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের সঙ্গে মীরাজ খানের বেশ কিছু দিন ধরে পূর্ব শত্রুতা চলে আসছে। এর জের ধরে তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের পক্ষের লোকজনের উপর মীরাজ খানের পক্ষের লোকজন হঠাৎ করে চওড়া হয়ে ওঠে। এক পর্যায় উভয় পক্ষই সংঘর্ষে জরিয়ে পড়ে। এসময় যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে মীরাজ খানের লোকজন এবং তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের লোকজন মীরাজ খানকে কুপিয়ে বাম পা বিছিন্ন করে ফেলে রাখে। পরে কালকিনি থানা পুলিশ খবর পেয়ে পূর্ব এনায়েতনগর এলাকার একটি ভিটা থেকে মীরাজ খানের বিছিন্ন পা উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয় লোকজন যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অপরদিকে মীরাজ খানকে ঢাকার পঙ্গ হাসাপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। আহত যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের বাবা কাশেম তালুকদার বলেন, আমার ছেলে মারামারি সময় ঘটনাস্থলেই ছিলনা। তাকে অন্যজায়গা থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। সে এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। আহত যুবক মীরাজের চাচা কবির খান জানান, বিনা কারনে আমার ভাতিজা মীরাজের পা কেটে বিছিন্ন করে দিয়েছে তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের লোকজন। আমরা হামলাকারীদের বিচার চাই। এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি ইসতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, আমরা খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এবং মীরাজের কাটা পা উদ্ধার করেছি। আহত দুইজনকেই চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *