কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক-কর্মচারী ভালো নেই

সারাবাংলা

আব্দুল বাশির, গোমস্তাপুর থেকে : চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন কিন্ডার গার্টেন (কেজি) স্কুলগুলো বর্তমানে করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ রয়েছে। এ কারণে স্কুলসমূহ ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে কোন বেতন আদায় করতে পারছে না । কেজি স্কুলগুলো ছাত্র-ছাত্রীদের বেতনের উপর নির্ভর করে তাদের বেতন ভাতাসহ অন্যান্য কাজকর্ম করে থাকে। বেতন আদায় না হওয়ার ফলে মার্চ মাস থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন থেকে বঞ্চিত। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘর ভাড়া পর্যন্ত দিতে পারছে না। ইতোমধ্যেই অনেক শিক্ষক-কর্মচারী পেটের তাগিদে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়েছেন।
এই উপজেলার ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭ হাজার ছাত্র-ছাত্রী প্লে থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নরত। সাধারণত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর চেয়ে কেজি স্কুল সমূহের ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো ফলাফল করে থাকে। বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে রহনপুর গাজী শিশু শিক্ষা নিকেতনের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন রনি জানান, বর্তমান অবস্থায় সরকারের নিকট থেকে আর্থিক প্রণোদনা পেলে শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের পরিবার পরিজনের পাশে দাঁড়াতে পারতো।
রহনপুর তোজাম্মেল হোসেন একাডেমির প্রধান শিক্ষক সালেহ আহমেদ বাচ্চু সরকারের শুভদৃষ্টি কামনা করেন। গোমস্তাপুর উপজেলা কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও আলিনগর নুরজাহান প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব সাদিকুল ইসলাম বলেন, স্কুল বন্ধ ও ছাত্র-ছাত্রীদের বেতন আদায় না হওয়ার কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবন যাত্রার মান একেবারে তলানিতে নেমে গেছে। অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ঘোলাদিঘী ব্রাইট স্টার কিন্ডার গার্টেনের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, গত জুন মাসে জেলা প্রসাশক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করা হয়েছে। তাছাড়া জুলাই মাসে সারা দেশে মানববন্ধন করা হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য আর্থিক প্রণোদনা চেয়ে একই কথা বলেন, রহনপুর আইডিয়াল স্কুলের অধ্যক্ষ জামিলুর রহমান মারুফ, জ্ঞাণচক্র একাডেমির প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাাহ আল মামুন, রহনপুর পাবলিক স্কুলের অধ্যক্ষ উমর ফারুক, গ্রিনভিউ স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম, হলিচাইল্ড স্কুলের পরিচালক মিজানুর রহমান ও নুর একাডেমির পরিচালক আব্দুর নুর।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *