কিশোরগঞ্জে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সারাবাংলা

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলার নগর ব্রীজের নিচে পানিতে ডুবে মারা যাওয়া শিশু ভাসানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকার নির্দোষ লোকদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদে গতকাল সোমবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করেন এলাকাবাসী।
গতকাল সকাল ১১টায় কিশোরগঞ্জ শহর সমবায় ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, গত ১৬/০৯/২০২০ ইং তারিখে নিকলী উপজেলার নগর ব্রীজের নিচ থেকে পানিতে ভাসমান পাওয়া শিশু ভাসানের লাশ উদ্ধার করে নিকলী থানা পুলিশ এবং ঐ দিনেই মৃত ভাসানের পিতা হযরত আলী নিকলী থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত মৃত্যু সংবাদে উল্লেখ করেন টেংগুরিয়া গ্রামে দয়াল, মোশারফ, কাদির, মানিক, রতন, ও জাহাঙ্গীরে সাথে থাকা ভাসান নৌকায় ঘুমিয়ে ছিল। ভাসানের মৃত্যু ঘটনায় নিকলী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে যাহার নং- ০৩/২০ তারিখ ১৬/০৯/২০২০ উক্ত ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য এলাকার কিছু অসাধু লোক হযরত আলীকে দিয়ে কিশোরগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ একটি মিথ্যা হত্যা মামলা রুজু করে যাহার নং- ১২১/২০। অত্র মামলায় নির্দোষ সহজ সরল লোকদের জড়িয়ে মোটা অংকের অর্থ বাণিজ্যের পায়তারা করছে একটি মহল, দাবি করেন সংবাদ সম্মেলনের উপস্থিত লোকজন।
এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে সোহেল ও রুবেলের মা মমতা বলেন, ঐ দিন রাতে আমার ছেলে সোহেল রানার গায়ে হলুদ ছিল। আমার ছেলে রুবেলসহ নিকট আত্মীয় স্বজন সবাই গায়ে হলুদে উপস্থিত ছিলাম। ঐ রাতে আমার এলাকার কয়েকজনকে তাস খেলা অবস্থায় রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে নিকলী থানা পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যায়। যার ফলে রাত সাড়ে ১০টা থেকে গ্রামের চৌকিদার মোবারক হোসেন আমার বাড়িতে রাত ২টা পর্যন্ত উপস্থিত ছিল ও তাস খেলার ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথা বলছিল। ঐ রাতে পুলিশে ধরে নেওয়া লোকজনকে দেখতে আমার এলাকার কয়েকজন লোক নিকলী যায় নৌকা দিয়ে তাদের সাথে ভাসানও যায়। উক্ত ঘটনার সাথে আমার দুই ছেলে বা আমার পরিবারের কেউ জড়িত না এবং যা সম্পূর্ণ মিথ্যা । আদালতের অভিযোগটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। এর সূত্র ধরে বাদী পক্ষ ও তার আত্মীয় আমাকে বিভিন্ন ধরণের ভয় হুমকি প্রদর্শন করছে। এমনকি যে কোন সময় আমার বাড়িতে হামলা ও লুটপাট করার পরিকল্পনা করছে। যার ফলে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *