কুড়িগ্রামে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন যুগ্মসচিব ফেরদৌস আলমের

সারাবাংলা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এসএম ফেরদৌস আলম সম্প্রতি জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় কুড়িগ্রাম পরিদর্শন করেন। জেলা দফতর পরিদর্শন ও মতবিনিময় শেষে মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার কুড়িগ্রাম একনজরে ঘুরে দেখেন। পরে সদর উপজেলার মোঘলবাসা ও চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের ইলিশ জেলেদের মধ্যে ভিজিএফ বিতরণ ও মতবিনিময় করেন। ব্রম্মপুত্র নদীতে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে অংশগ্রহন করেন। পরে উলিপুর উপজেলায় রংপুর বিভাগে মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্পের একটি প্রদর্শনী পুকুরে মাছের নমুনায়ন পর্যবেক্ষণ করেন। এসময় ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ৭ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ ও পরে তা বিনষ্টি করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার মো বুলবুল আহমেদ। অভিযানে সহযোগিতা করেন সিউমক, উলিপুর ও নাগেশ্বরী।
এদিকে কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার যাত্রাপুর এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় ৪ হাজার ৮০০ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে আটক জাল পুড়ে ফেলা হয়। ২১ অক্টোবর দুপুরে মৎস্য অধিদপ্তর, রংপুরস্থ উপ-পরিচালক ড. মো. সাইনার আলম অভিযানটি পরিচালনা করেন। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেনÑ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কালিপদ রায়, সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ইসমত আরা, মৎস্য খামার ব্যবস্থাপক মো. শামসুজ্জামান ও নাগেশ্বরী উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শাহাদত হোসেন প্রমুখ।
এ প্রসঙ্গে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কালিপদ রায় জানান, ইলিশ মাছের প্রধান প্রজনন মৌসুম হওয়ায় ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত নদীতে ইলিশ মাছ আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছে। তাই মা ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ রাখার জন্য জেলেদের প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো জানান, জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ের সদর, উলিপুর, চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর এই ৫ উপজেলার ২টি পৌরসভা এবং ৩৬টি ইউনিয়নের ৭ হাজার ৫০০ জেলে পরিবারের প্রত্যেককে ২০ কেজি করে বিনামূল্যে চাল দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৪ হাজার ৪২টি পরিবারকে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট পরিবারগুলোকে পর্যায়ক্রমে এই সহায়তা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *