কোটালীপাড়ায় পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন

সারাবাংলা

সুজিত মৃধা, কোটালীপাড়া থেকে:
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে বিভিন্ন প্রজাতির রেনু ও কার্প জাতীয় মাছ নিধন করা হয়েছে। গত রোববার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের তেঁতুল বাডী গ্রামে মৎস্য চাষী লিটন হালদারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করা হয়েছে।
লিটন হালদার জানান গত রোববার সকাল ৮টার দিকে শুনতে পাই একই গ্রামের রঞ্জন বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি আমার পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। আমি তখন ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত থাকায় আমার স্ত্রী বাঁধা দিতে গেলে রঞ্জন বিশ্বাস কোন বাঁধা তোয়াক্কা না করে সমগ্র পুকুরের পানিতে বিষ ছিটিয়ে চলে যায়। আমি দ্রুত পুকুর পাড়ে চলে আসি। এসে দেখি পুকুরের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে যাচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যে পুকুরের সমস্ত মাছ মরে গেছে। মুহুর্তেই গ্রামের কয়েক জনকে বিষয়টি দেখাই। আমার পুকুরে রেণু ও কার্পজাতীয় প্রায় দেড় লক্ষ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছিল। সব মাছ মারা গেছে এবং পুকুরের পানির উপর মরা মাছ ভেষে উঠেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রঞ্জিত হালদার বলেন, লিটনের পুকুরে শুনছি বিষ প্রয়োগ করে মাছ মারা হয়েছে,এই সত্যতা যাচাই করার জন্য আজ (রোববার) সন্ধ্যায় পুকুর পাড়ে গিয়ে দেখি পুকুরের সব মাছ পানির উপরে মরে ভেসে উঠছে। পুকুর পাড়ে একটি বিষের প্যাকেটও পাওয় গেছে।
বিষ প্রয়েগের বিষয়ে রঞ্জন বিশ্বাস এর কাছে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন আমি লিটন হালদার কে পাঁচ বছরের জন্য পুকুর লিজ দিয়েছি। গত বাংলা মাসের আষারে তার লিজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। আমি লিটন কে একাধিকবার বলেছি আমার পুকুর পরিস্কার করে দেয়ার জন্য এবং পুকুর ছেড়ে দেয়ার জন্য। কিন্তু আমার কথা সে কিছুতেই শুনছেনা। আমার পুকুর আমি আর কাউকে লিজ দেবো না নিজেই মাছ চাষ করবো। এজন্য আমি পুকুরে বিষ ছিটিয়েছি। তা ছাড়া পুকুরের মাছ আগে থেকেই ধরে বিক্রি করে দিয়েছে। এ ব্যপারে কোটালীপাড়া থানার এসআই মুরাদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *