ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই খেলতে চান মুস্তাফিজ

খেলাধুলা

স্পোর্টস ডেস্ক:
কেবল টেস্ট নয়, ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই খেলতে চান পেসার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। অনেকেরই ধারণা ছিল টেস্ট ক্রিকেটকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। কারণ ২০২০ সালের শুরুতে বিসিবির লাল বলের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে মুস্তাফিজকে রাখেনি বিসিবি। তবে তিন ফরম্যাটই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান মুস্তাফিজ। তিনি জানান, বর্তমানে ফিটনেস ও স্কিল নিয়েই বেশি কাজ করছেন। যাতে তিন ফরম্যাটের জন্য নিজেকে উপযোগী করে তুলতে পারেন।

আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে স্কিল ট্রেনিং সেশন শেষে মুস্তাফিজ বলেন, ‘আমি তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটে খেলতে চাই এবং বর্তমানে আমি ফিটনেস ও অন্যান্য স্কিল নিয়ে কাজ করছি। আমার বোলিং দক্ষতা বাড়াতে যা করা প্রয়োজন, তা করার চেষ্টা করছি এবং সব ফরম্যাটে নিয়মিত করতে অন্যরাও সহায়তা করছে।’

টেস্ট ক্রিকেটে ভালো বোলারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বলকে ভেতরে আনা। পুরো ক্যারিয়ার জুড়েই যা করতে পারেননি তিনি। মুস্তাফিজের প্রধান অস্ত্র হলো- কাটার ও স্লোয়ার, যা দিয়ে সংক্ষিপ্ত ভার্সনে সাফল্য অর্জন করেছিলেন ফিজ। মূলতঃ কাটার ও স্লোয়ারের কারণে ওয়ানডে ক্রিকেটে দুর্দান্তভাবে তার অভিষেক হয়েছিল। ভারতের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে দেশকে সিরিজ জেতান। সেটাই ছিল ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম সিরিজ জয়।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও নিজেকে প্রমাণ করেন মুস্তাফিজ। ফলে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের সেরা বোলারে পরিণত হন। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেট অঙ্গনে তার তেমন সাফল্য নেই। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ইনসুইঙ্গারেই বেশি শক্তিশালী মুস্তাফিজ। এমনটাই মুস্তাফিজ জানেন এবং তিনি জানান, বোলিং কোচ ওটিস গিবসনকে নিয়ে সেই বিশেষ দিকটি নিয়ে কাজ করছেন।

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবের আগে, কিভাবে বলকে ভেতরে আনতে হবে, সে বিষয়ে আমাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন। আমি এখনো এটি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি এবং আল্লাহর রহমতে এটি ভালোভাবে চলছে। কিন্তু আমি জানি, এটি করার জন্য পারদর্শী হতে আমার অনেক কাজ করা দরকার। দলগত অনুশীলন গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ঘরে কাজ করেছি, তবে সেটি ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু আমি যখন স্টেডিয়ামে কাজ শুরু করেছি, তখন কঠিন ছিল, কিন্তু এখন সবকিছু ঠিকঠাক চলছে।’

বলকে ভেতরে আনার পাশাপাশি, বোলিংএ অন্যান্য দিক নিয়েও কাজ করছেন মুস্তাফিজ, ‘একমাস পাঁচদিন হয়ে গেল, আমি ঢাকা এসেছি, প্রথমে আমি সংক্ষিপ্ত রান-আপে বল করেছি। দুই কি তিন ধাপে বল করেছি। আমি বাড়িতেও এটি করেছি। কিন্তু ঢাকায় এসে প্রথম থেকেই সব শুরু করেছি। শুরুতে আমি জগিং ও জিমের দিকে মনোনিবেশ করেছি এবং পরে অন্যান্য বোলারদের সাথে ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে বোলিং শুরু করি। তবে সবকিছু ভালো চলছিল।’

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *