খাগড়াছড়িতে ডাকাতিকালে ‘ধর্ষণ’ মামলায় গ্রেপ্তার ৭

নারী ও শিশু

খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি আব্দুর রশিদ জানান, শুক্রবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ওই সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তবে আসামিদের বিস্তারিত নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি এ পুলিশ কর্মকর্তা।

এর আগে বুধবার গভীর রাতে জেলা শহরের বলপাইয়া আদাম এলাকায় এ ঘটনায় মেয়েটির মা বাদী হয়ে থানায়

নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ডাকাতির মামলা দায়ের করেন।

মেয়েটি বর্তমানে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মেয়েটির মা সাংবাদিকদের বলেন, “৮/৯ জন যুবক বয়সী ডাকাত বাড়ির একটি কক্ষে তার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী (২৬) মেয়ের হাত-পা বেঁধে ও মুখে ওড়না পেঁচিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় ডাকাতরা আমার কানের দুল, আংটিসহ অন্তত ৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন নিয়ে ছিনিয়ে নেয় এবং পুরো বাড়ির আলমারি ও ওয়ারড্রপসহ সবকিছু তছনছ করে রাত ২টা থেতে ভোর ৪টা পর্যন্ত লুটপাট চালায়।

“পরে ঘরের বাইরে থেকে দরজার হুক মেরে ডাকাত সদস্যরা পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে চেচামেচির শব্দ শুনে প্রতিবেশিরা এসে আমাদের তাদের উদ্ধার করে।”

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মো. আব্দুল আজিজ বলেন, ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *