গানই আমাকে বাঁচিয়ে রাখবে : রুনা লায়লা

বিনোদন

বিনোদন ডেস্ক: উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা। সংগীত জীবনের ৫৫ বছর পার করেছেন বরেণ্য এই গায়িকা। বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তান এই তিন দেশ মিলিয়ে ১০ হাজারের বেশি গান করেছেন তিনি। গানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে ও নিজেকে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। তার গাওয়া বহু গান এখনও গানপ্রেমীদের মুখে মুখে ফেরে।

একজন পরিপূর্ণ শিল্পীর জীবন্ত উদাহরণ রুনা লায়লা। সুরের জাদুকরি স্পর্শ দিয়ে কোটি কোটি মানুষের মন জয় করে নেওয়া রুনা লায়লা সম্প্রতি কথা বলেছেন দেশের একটি ইংরেজি দৈনিকের সঙ্গে। নিজের শিল্পী জীবন নিয়ে সেখানে তিনি বলেন, সুন্দরভাবে এতটা পথ পাড়ি দিতে পেরেছি এ জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই সৃষ্টিকর্তার প্রতি। এছাড়া আমার পরিবার, মা-বাবাসহ অনেকের কাছে কৃতজ্ঞ এতদূর আসার জন্য।‘

রুনা লায়লা জানান, তার সংগীত জীবনে মায়ের অবদান অনেক। তার মতে, ‘উপরওয়ালার রহমত অবশ্যই আছে। অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। জীবনের স্বার্থকতা এটাই। মানুষ আমাকে ভালোবাসে এটাও বড় খুশির কথা, আনন্দের কথা। এই ভালোবাসা ও সম্মান অর্থ দিয়ে কেনা যায় না। কোনো কিছুর বিনিময়েও এই ভালোবাসা ও সম্মান পাওয়া সম্ভব নয়। শিল্পী জীবনের এটাই তৃপ্তির কথা।’

নিজের দেশ ছাড়াও দুনিয়াজুড়ে নাম ছড়িয়ে আছে রুনা লায়লার। অনেক কিছু পেয়েছেন একজীবনে। তার পরও কি তার জীবনে কোনো আফসোস কাজ করে? গায়িকা বলেন, ‘আমি কর্ম বিশ্বাসী। কর্মটাই টিকে থাকবে। সব সময় কাজ নিয়ে থাকতে চাই। গান নিয়ে অনেক পরিকল্পনা আছে। গানটাই করতে চাই। গানই সব। গানের মধ্যে থাকতে চাই। গানই আমাকে বাঁচিয়ে রাখবে। তাই কোনো আফসোস নেই।’ এ প্রজন্মের গায়ক-গায়িকাদের উদ্দেশে রুনা লায়লা বলেন, ‘নতুনরা ভালো করছে।

আরও সঠিক গাইডলাইন দরকার তাদের। অনেক কিছু দরকার ওদের। সব সময় নতুনদের উৎসাহ দিই আমি। নতুনরা যখন টেলিভিশনে গান করে, মাঝে মাঝে তাদের অনুষ্ঠান চলাকালীন ফোনও করি। এতে ওরা খুশি হয়, অনুপ্রেরণা পায়। নতুনদের অনুপ্রেরণা দরকার। এতে ওরা সাহস পাবে। ভালোও করতে পারবে।’

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *