গোপালগঞ্জ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

সারাবাংলা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :
ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিশ্বনবী সা.-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে কওমি মাদ্রাসা বোর্ডের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে অংশ নেয়। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় গোপালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে মানববন্ধনে নেতৃত্বদেন ছদর সাহেব রহ. এর পৌত্র ও গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মুফতি উসামা আমীন। বক্তব্য রাখেন গওহরডাঙ্গা শিক্ষা বোর্ডের মহাসচিব মাওলানা শামছুল হক সহ শীর্ষ নেতারা। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ইমাম, মুয়াজ্জিন সাধারণ তাওহিদি জনতা অংশগ্রহণ করেন। পরে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এর কুশপত্তলিকা দাহ করে বিক্ষোভ প্রর্দশন করে ফ্রান্সের সকল পণ্য বর্জনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে মুফতি উসামা আমীন বলেন, বিশ্ব নবী সা. জগৎ বাসীর জন্য রহমত স্বরূপ আগমন করেছিলেন। তিনি বিশ্বে সব ধরনের অশান্তি দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। হযরত মুহাম্মাদ (সা:) বিশ্ব মুসলিমের জীবনের থেকেও বেশি প্রিয়। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ফ্রান্স হুজুর সা. এর ব্যঙ্গচিত্র প্রর্দশন করে যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে তা বিশ্বের দুইশ কোটি মুসলমানের হৃদয়ে চরম আঘাত হেনেছে এবং ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান এর প্রতিবাদে রাজপথে নেমে এসেছে। এ ঘটনার জন্য ফ্রান্স কে অবশ্যই বিশ্ব মুসলিমের কাছে মাফ চাইতে হবে বলে দাবি করেন।
বাক-স্বাধীনতার নামে ফ্রান্স যে জঘন্য কাজ করেছে তা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিশ্বের দ্বিতীয় মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার কে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত কে জরুরী ভাবে তলব করে এরকম জঘন্য ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে হবে। প্রয়োজনে ফ্রান্সের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানান। সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা শামছুল হক বলেন, সালাম রাসূল (সা:) এর একটি শ্বাসত সুন্নাত। সালাম কে জঙ্গিবাদের উপসর্গ বলে ঢাবির ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. জিয়া রহমান যে মূর্খতা প্রকাশ করেছেন তাতে তিনি কোন ভাবেই আর ঢাবির শিক্ষক থাকার যোগ্য নয়। অনতিবিলম্বে তাকে ঢাবি থেকে বহিস্কারের দাবি জানান।
মুফতি মোহাম্মদ তাসনীন ও মুফতি মাকসূদুল হকের পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন গওহরডাঙ্গা মাদরাসার মাওলানা ফরিদ আহমাদ, বেফাকের নায়েবে সদর মাওলানা নুরুল হক, কোর্ট মসজিদ মাদরাসার মুফতি হাফিজুুর রহমান, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, জেলা উলামা পরিষদের সদস্য সচিব মুফতি মঈনুদ্দিন, ,তারাইল ফুকরা মাদরাসার মাওলানা শিহাব উদ্দিন, মুসলিম এতিম খানা মাদরাসার মাওলানা হায়াত আলী, মাওলানা নাসির উদ্দিন, মুফতি ফকরুল ইসলাম, তানজিমুল মুদাররিসিন বাংলাদেশের মাওলানা আতাউর রহমান, মাওলানা জামাল উদ্দিন, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা অহিদুজ্জামান, মাওলানা শফিকুল ইসলাম গওহারী, খাদেমুল ইসলাম ছাত্র শাখার সভাপতি গোলাম রাব্বনী প্রমুখ।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *