গৌরীপুরে ৫৭টি মণ্ডপে দূর্গাপূজা

সারাবাংলা

ওবায়দুর রহমান, গৌরীপুর থেকে : করোনাকালীন সংকট ও বৃষ্টির কারণে গৌরীপুরে শারদীয় দূর্গাপূজা পালিত হলেও নেই কোন জাকজমক আমেজ। সারাদেশের ন্যয় প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া নিয়ম মেনেই গৌরীপুরের ৫৭টি মণ্ডপে হচ্ছে সনাতন ধর্মের বৃহৎ উৎসব দুর্গাপূজা।
দূর্গাপূজার মহালয়া হয়ে গেছে গত ১৭ সেপ্টেম্বর। হিন্দুধর্মীয় মতে, পঞ্জিকার হিসাব অনুযায়ী এই বছর আশ্বিন মাস ‘অশুভ’ হওয়ায় আশ্বিনের পরিবর্তে কার্তিক মাসে হচ্ছে হিন্দুদের এই দুর্গোৎসব। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় বড় শহরগুলোতে হবে না অষ্টমীতে কুমারী পূজা সেই সাথে সারাদেশেই রাত ৯টার পর কোন পূজামন্ডপ খোলা থাকবে না, হবেনা এবার কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। গত বৃহস্পতিবার মহাষষ্ঠীতে বোধনের মধ্য দিয়ে পূজা শুরু হয়েছে আর আগামীকাল সোমবার দেবী বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। অন্য বছরের মতো দেবী বিসর্জনেও মানতে হবে নিয়ম। অন্যান্য বছর সব পূজা মন্ডপের দেবী একত্র করে বিসর্জন দেওয়া হতো। কিন্তু এই বছর একসাথে না করে আলাদা আলাদা মন্ডপের দেবী বিসর্জন দেয়ার কথা শুনা যাচ্ছে। মহাঅষ্ঠমীতে ঘুরে দেখা গেলো করোনার প্রকোপ ও ভারী বৃষ্টির জন্য মন্ডপগুলোতে অন্য বছরের তুলনায় দর্শনার্থীর সংখ্যা অনেক কম। এই বিষয়ে গৌরীপুরের পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরুন সরকার বলেন, করোনার সংক্রমন এড়াতে এবারের দূর্গাপূজায় অনাড়ম্বর পরিবেশে পালিত হচ্ছে। গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বোরহান উদ্দিন খান বলেন, দূর্গাপূজায় যে কোন ধরণের নাশকতা প্রতিরোধে পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কবস্থায় রয়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রকোপ মোকাবিলায় দর্শনার্থীদের ভিড় কমাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিধি-নিষেধ জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মারুফ রাহাত বলেন, সরকারি বিধি নিষেধ মেনে পূজা পালনের জন্য সকল পূজারীদের প্রতি আহবাণ করা হয়েছে। এ নিয়ে পূজা উদযাপন পরিষদের সাথে সভা করে তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *