চিতলমারীতে গোপনে চলছে কিন্ডারগার্টেন

সারাবাংলা

বিভাষ দাস, চিতলমারী থেকে
বাগেরহাটের চিতলমারীতে করোনাকালীন সময়ে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও থেমে নেই ব্যক্তি মালিকানাধীন কিন্ডারগার্টেন। গত শনিবার দুপুরে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম আলী আকবর কয়েকটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তদন্তে যান। এসময় তিনি ‘বেবি হোম কিন্ডার গার্টেন’ নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক সোহাগ মোল্লাকে ৩২ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ক্লাস নিতে দেখতে পান। এনিয়ে কিছু বললে ওই শিক্ষক তার ওপর চড়াও হন।
চিতলমারী উপজেলায় ৪টি কলেজ, ৩২টি মাধ্যমিক, ৭টি মাদ্রাসা ও ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি ৪৮টি কিন্ডার গার্টেন রয়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রথম পর্যায়ে সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও কিছু কিছু বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি নির্দেশ ভঙ্গ করে গোপনে ক্লাস চলানো শুরু করে। শনিবার যার একটিতে অফিসিয়াল তদন্তে নেমেছিলেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম আলী আকবর। কিন্তু সদর বাজারে অবস্থিত বেবি হোম কিন্ডার গার্টেনে গেলে প্রধান শিক্ষক সোহাগ মোল্লা কর্তৃক তিনি লাঞ্ছিত হন।
এ বিষয়ে কিছু জানতে বেবি হোম কিন্ডার গার্টেনের পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক সোহাগ মোল্লার মুঠোফোনে বারবার রিং দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ঘটনার পর তিনি একটু গা ঢাকা দিয়েছেন। এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার হোল্ডার মোঃ বায়জিদ হোসেন পলাশ বলেন, আমাদের স্কুলে কোন প্রকার ক্লাস চলে না। যারা এ ধরনের কথা বলেছে তারা ভুল বলেছে।
এ ব্যাপারে চিতলমারী উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম আলী আকবর বলেন, বেবি হোম কিন্ডার গার্টেনে তদন্তকালে ৩২ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ক্লাস করতে দেখি। যার ছবি-ভিডিও আমার হাতে আছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমার সঙ্গে চরম খারাপ ব্যবহার করেছে। বিষয়টি আমি ইউএনও স্যারকে লিখিত আকারে জানাব।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *