জনগণের তো দূরের কথা কর্মীদের মনের কথাই বোঝে না বিএনপি : কাদের

জনগণের তো দূরের কথা কর্মীদের মনের কথাই বোঝে না বিএনপি : কাদের

রাজনীতি

অনলাইন ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মন্তব্য করে বলেন, বিএনপি জনগণের ভাষা বুঝতে পারা তো দূরের কথা, তাদের কর্মীদের মনের কথাই বোঝে না।

সম্প্রতি সরকার জনগণের মনের ভাষা বোঝে না বলে অভিযোগ করেছিলেন বিএনপি মহাসচিব, তার জবাবে শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এসে হামলা-নির্যাতন করে বহু হিন্দু পরিবারকে দেশছাড়া করেছিল।

দেশবাসী সেই দুঃসহ নির্যাতনের কথা ভুলে যায়নি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি মহাসচিব বলেছেন—সরকার জনগণের মনের ভাষা বোঝে না।

আমি বলতে চাই, জননেত্রী শেখ হাসিনা জনগণের মনের ভাষা চোখের ভাষা বুঝতে পারেন বলেই এত জনপ্রিয়।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, দলীয় চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবিতে বিএনপি কোনো বিক্ষোভই দেখাতে পারেনি।

তাঁরা নির্বাচন নিয়ে আন্দোলনে ব্যর্থ।

তাদের রাজনীতি ঘরে বসার রাজনীতি। আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিএনপির নেতারা ঘরে বসে থাকেন, কর্মীদের পাশে দাঁড়ান না—এ জন্য কোনো কর্মী আন্দোলনে সাড়া দেয় না।

কিন্তু আমরা অনেক নির্যাতন সহ্য করে রাজনীতি করেছি।

মন্ত্রী বলেন, যারা গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা বলেন, তারা দেশে রাতের বেলা কারফিউ দিয়ে ’৯৬ সালে প্রহসনের নির্বাচন করেন। অথচ তারা এখন নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সম্প্রতি কয়েকটি উপ-নির্বাচনেও ৫০-৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। নির্বাচনে জনগণের অনীহা থাকলে এত ভোট পড়তো না।

শুধুমাত্র ঢাকার একটি আসনের উপ-নির্বাচনে একটু কম ভোট পড়েছে। যারা গণতন্ত্রের নামে স্বৈরাচারী করেন, তারা গণতন্ত্রের ছবক দেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত হৈচৈ করে। কিন্তু নির্বাচনের দিন বলে, এজেন্টকে বের করে দেওয়া হচ্ছে, পরে নির্বাচন বর্জন করে। কোথায় এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে, পারলে প্রমাণ দিন।

দেশে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন রয়েছে। বিএনপিকে জেতানো যেন নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।

মির্জা ফখরুলের অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্নীতির জন্য আওয়ামী লীগের লোকজনকেও ছাড় দিচ্ছেন না বিচারকরা। দলের অনেকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

বিএনপি আমলে একজনকেও শাস্তি দেয়নি। অপরাধ করে বিএনপি আত্মরক্ষার ঢাল হিসেবে এসব অভিযোগ করে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *