জনগণের সেবক

সারাবাংলা

খোরশেদ আলম, আশুলিয়া থেকে
আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড। এক সময়ের অবহেলিত এই অঞ্চলটির সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য তেমন কোনো ভালো রাস্তা ছিল না। ফলে চলাচলের সময় নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতেন তারা। জনসাধারণের এই দুর্দশা আর দুরবস্থা দেখে ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. আবু তাহের মৃধা জনগণের সেবা করার উদেশ্যে গত ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। পরে জনসাধারণের এই জননেতা নেতা নির্বাচিত হয়ে ইতোমধ্যে এই ওয়ার্ডের ৪টি নতুন, ৩২টি ফ্লাট সোলিং ও ২টি সিসি ঢালাই রাস্তাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের শতকরা ৮০ ভাগ সম্পন্ন করেছেন। সেই সঙ্গে পাল্টে দিয়েছেন এলাকার সামগ্রিক চিত্র।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে সততা ও সাহসিকতাই নিয়ে পথ চলেছেন তিনি। আজবধি তিনি কোনো অন্যায় অবিচারের সঙ্গে আপোষ করেননি। দৃঢ় অবস্থানের কারণে নিজ নির্বাচিত এলাকায় দিনের পর দিন তার জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সেই মেধাবী ও পরিশ্রমী মানুষটির বিকল্প হিসেবে অন্য কাউকে দেখছে না এলাকাবাসী।
করোনাকালীন পরিস্থিতির শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত এই ওয়ার্ডের কর্মহীন ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে খাদ্য এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী দেওয়াসহ বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য আশুলিয়ার শ্রমিকদের কাছেও বেশ জনপ্রিয়। তিনি ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তার ওয়ার্ডের ভিতরে মাদক এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতি অবলম্বনে কাজ করে চলেছেন। তাই দল ও জন সাধারণের কল্যাণে তাকে আবারও ইয়ারপুর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য করা দরকার বলে মনে করেন এই ওয়ার্ডবাসী ।
শ্রমিকবান্ধব এই নেতা ২০০৪ সালে যুবলীগের সূত্র ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তখন তিনি আশুলিয়া থানা যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে থানা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে ইয়াপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে রাজনীতির পাশাপাশি বর্তমানে তিনি নরসিংহপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
এই ওয়ার্ডের বাসিন্দা এসএম গিয়াস উদ্দিন চিশতী বলেন, ইউপি সদস্য আবু তাহের মৃধা সৎ, সাহসী, মেধাবী ও শ্রমিকবান্ধব হওয়ায় এলাকায় তার যথেষ্ট জনপ্রিয়তা রয়েছে। যে কোনো অপশক্তির বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার। আজ পর্যন্ত তিনি কোনো অন্যায় অবিচারের সঙ্গে আপোষ করেননি। আমরা দেখেছি সরকারী তহবিলে কাজ শেষ না হলে তিনি নিজের তহবিল হতে অর্থ দিয়ে কাজ শেষ করনে। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পরে থেকে এলাকার অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তাই আমরা তার বিকল্প হিসেবে অন্য কাউকে দেখছি না। এ ব্যাপারে মো. আবু তাহের মৃধা বলেন, আমি আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষকে ভালোবেসে, তাদের দুর্দশা ও দুরবস্থা দেখে নির্বাচন করেছি। জনগণ আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছে আমি নির্বাচিত হয়েছে। যেহেতু জনগণের ভোটে আমি নির্বাচিত তাই সুখে-দুঃখে সব সময় তাদের সঙ্গে থাকার চেষ্টা করেছি। তাই আমি মনে করি আগামীতেও এলাকাবাসী আমার আমার ডাকে সারা দেবে। এলাকাবাসী যতদিন চান আমি ততদিন রাজনীতি করে যাবো।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *