জামায়াতের বিচার দ্রুত শুরু হওয়া উচিত

আইন আদালত জাতীয়

ডেস্ক রিপোর্ট: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দল হিসেবে জামায়াতের বিচার দ্রুত শুরু হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান। সোমবার (২৫ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ সংস্থার সমন্বয়ক এম সানাউল হক এ মন্তব্য করেন।

২০১৪ সালের ২৭ মার্চ দল হিসেবে জামায়াতের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে জমা দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। জামায়াতের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর সাত মাস পর এ প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে সংস্থাটি।

জামায়াত এবং তাদের অঙ্গ সংগঠন, আলবদর, আল শামসের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন-১৯৭৩ এর আলোকে তৈরি এ তদন্ত প্রতিবেদনে জামায়াত ও তার সব অঙ্গ সংগঠন নিষিদ্ধ ও অবলুপ্ত করার আরজি জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে জামায়াত, তাদের সহযোগী সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘ, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা দিতে গঠিত শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনী এবং জামায়াতের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইনের ৪ এর ১ ও ৪ এর ২ ধারা অনুযায়ী অপরাধ করেছে। জামায়াতসহ এসব সংগঠনের নীতিনির্ধারক, সংগঠক, পরিচালক এবং কেন্দ্র থেকে শুরু করে সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে এ সব অপরাধের জন্য দায়ী করা হয়েছে।

সানাউল হক বলেন, আমি মনে করি, জামায়াতে ইসলামীর বিচারটি মানবতাবিরোধী অপরাধের বা আমাদের ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শুরু করা উচিত। সংগঠনের যখন বিচার হয়, এই সংগঠনের সেই সময়ে যে সব অঙ্গ সংগঠন বা যে সব ব্যক্তি জড়িত ছিলেন, তাদের সবারই বিচার হয়। তাদের সবার ওপরই এই অপরাধের দায় চলে আসে।

সানাউল হক আরও বলেন, আজকে আপনার দেখছেন যে, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হচ্ছে। ধর্মান্ধতার সুযোগে অনেকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন। একে সমূলে উৎপাটন করতে গেলে জামায়াতের স্বরূপ উদ্ঘাটন করার জন্য বিচার প্রকাশ্য আদালতে হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

 

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *