জামিনে কারামুক্ত আত্মসমর্পণ করা ৫ শীর্ষ ইয়াবা কারবারি

জাতীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: উচ্চ আদালতের জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন আত্মসমর্পণ করে বেঁচে যাওয়া ৫ শীর্ষ ইয়াবা কারবারি।

তারা হলেন- টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম লেদার মৃত হাজী আবুল কাশেমের ছেলে নুরুল হুদা মেম্বার (৩৮) ও তার ভাই নুরুল কবির, টেকনাফের সাবরাং মুন্ডার ডেইলের মো. হোসাইনের ছেলে মঞ্জুর আলী (৩৫), হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার মৃত রশিদ আহম্মদের ছেলে মাহবুব আলম (৩৬) এবং নাইট্যং পাড়ার মৃত আবদুল খালেকের ছেলে মো. ইউনুছ (৪৮)।

বর্তমানে তারা সকলেই নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন। তবে, তাদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারীতে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের হাতে ইয়াবা ও অস্ত্র তুলে দিয়ে ১০২ ইয়াবা কারবারি আত্মসমর্পণ করে। সে সময় তারা সাড়ে ৩ লাখ ইয়াবা, ৩০টি অস্ত্র ও ৭০ রাউন্ড গুলি জমা দেয়।

আত্মসমর্পণকারী ১০২ জন ইয়াবা কারবারির মধ্যে ১০১ জনের বিরুদ্ধে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি চার্জ গঠন করে আদালত। কারান্তরীন অবস্থায় একজন মারা যাওয়ায় তাকে চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সবগুলো তালিকায় ‘পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদি ও তার ৫ ভাই, এক বোনসহ ২৬ জন নিকটাত্মীয়ের নাম আছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, কক্সবাজারে সরকারের তালিকাভুক্ত বড় ইয়াবা কারবারি আছেন ৭৩ জন। তাদের ২৪ জন আত্মসমর্পণ করেছেন। এই ২৪ জনের মধ্যে আছেন সাবেক সাংসদ বদির চার ভাই আবদুল শুক্কুর, আবদুল আমিন, মো. শফিক ও মো. ফয়সাল, বদির ফুফাতো ভাই কামরুল ইসলাম রাসেল, ভাগনে সাহেদুর রহমান নিপুসহ ১৬ জন।

এ ছাড়া আছেন টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আহমদের ছেলে দিদার মিয়া, হ্নীলার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য নুরুল হুদা ও জামাল হোসেন, টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর নুরুল বশর নুরশাদ, নারী কাউন্সিলর কহিনুর বেগমের স্বামী শাহ আলম, টেকনাফ সদর ইউপি সদস্য এনামুল হক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দুই ভাই জিয়াউর রহমান ও আবদুর রহমান। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ২ থেকে ১৬টি মামলা আছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *