জিনস কেনার সময় যে ভুলগুলো করবেন না

জিনস কেনার সময় যে ভুলগুলো করবেন না

লাইফ স্টাইল

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিদিনের অফিস হোক বা ছোটখাটো আউটিং। কিংবা মার্কেটে কেনাকাটা করতে বেড়িয়েছেন বা অফিস ফিরতি ডিনার ডেট। সাজগোজের বিশেষ সময় না থাকলে হাতের সামনে থাকা টপ আর একটি জিনস পরে প্রায় সব জায়গাতেই যেতে পারেন বর্তমান যুগের তন্বীরা। তাই বছরের মধ্যে বেশ কয়েকবার জিনস কেনাকাটি লেগেই থাকে। কিন্তু জিনস কেনা এবং তার যত্নের ক্ষেত্রে অনেক সময় না চাইতেও নানা ছোটখাটো ভুল হয়ে যায়। আয়ু কমে আপনার প্রিয় পোশাকের। তার চেয়ে বরং জেনে নেওয়া যাক জিনস কেনা এবং যত্নের ক্ষেত্রে কোন কোন ভুল এড়িয়ে চলা উচিত।

যাঁরা ব্যবহার করেন না তাঁরা হয়তো ভাবেন সব জিনস একরকম। কিন্তু যাঁরা নিয়মিত জিনস ব্যবহার করেন তাঁরা জানেন এক রকম দেখতে হলেও বৈপরীত্য রয়েছে অনেক। যেমন কেউ পছন্দ করেন অ্যাংকেল লেন্থ তো কারও নজর স্ট্রেট জিনসে। কিন্তু আপনি যা পছন্দ করেন তা কিনে নিয়ে যেকোনও জুতোর সঙ্গে পরে ফেললে যে চলবে না। তাহলেই কিন্তু ফ্যাশন মাটি। জিনস কেনার ক্ষেত্রে কোন জুতো ব্যবহার করেন, তা খেয়াল রাখুন। আর জুতোর সঙ্গে মানানসই জিনসই কিনুন।

একটি জিনসে কোন উপাদান কত শতাংশ রয়েছে তা স্টিকার আকারে কোমরের কাছে লাগানো থাকে। অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতা সেদিকে নজর দেন না। কিন্তু সচেতন ক্রেতা হলে অবশ্যই ওই স্টিকারে নজর দিন। দেখে নিন প্রিয় জিনসে কোন উপাদান কত শতাংশ রয়েছে। কারণ, ওই উপাদানের উপর জিনসের দীর্ঘায়ু অনেকটাই নির্ভরশীল।

সেল দেখলে বাঙালির কেনাকাটির হিড়িক লাগে। সকলেই ভাবি সামান্য কম দামে যদি ভাল জিনিস পেয়ে যাই তাহলেই কেল্লাফতে। হুড়মুড়িয়ে কেনাকাটি শুরু হয়ে যায়। সেলে জিনস কিনতেই পারেন। তবে তা ব্যবহার করতে পারবেন কিনা ভাল করে ভাবনাচিন্তার পরই কিনুন।

জিনস কেনার আগে ট্রায়াল দেওয়ার অভ্যাস মোটামুটি সকলেরই আছে। তবে ট্রায়াল রুমে ঢোকার আগে আলস্য ঝেড়ে ফেলুন। জিনসের বোতাম না লাগিয়ে ট্রায়াল দেওয়ার অভ্যাস কিন্তু ফ্যাশনের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। তাই ভাল করে বোতাম আটকে লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে দেখে নিন জিনসে কোনও সমস্যা হচ্ছে না তো। সমস্যা হলে অন্য বাছুন। তবে কষ্ট করে জিনস পরে নেওয়ার ভাবনাচিন্তা ভুলেও করবেন না।

এবার আসি জিনসের যত্নের কথায়। অনেকেই ভাবেন পোশাক একদিন পরা মানেই তা কেচে পরিষ্কার করা উচিত। অন্য পোশাক প্রয়োজন মতো কাচতেই পারেন। তবে জিনসের দীর্ঘায়ু চাইলে ভুলেও বেশিবার কাচবেন না। প্রয়োজনে ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করুন। চাইলে কাপড় ভিজিয়ে হালকা হাতে মুছে আবার তা শুকিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু মাসে একবারের বেশি ভুলেও কাচবেন না। তাতে আপনার প্রিয় পোশাকের দফারফা হতে বেশি সময় লাগবে না। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *