ঝুঁকিপূর্ণ সেতু

সারাবাংলা

নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
নেত্রকোনা পৌর সভার আনন্দ বাজার- সাতপাই সড়কে আনন্দ বাজার মোড়ে দীর্ঘদিনের পুরনো অপ্রস্ত পকা সেতু চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। জরাজীর্ণ সেতু ভেঙ্গে প্রসশস্তকরণে দাবি এলাকাবাসীর। একাধিক এলাকাবাসী জানান, পৌর সভার আনন্দ বাজার এলাকায় মগড়া নদীর ওপর দীর্ঘদিনের পুরনো পাকা সেতুটি চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল এলাকাবাসীর পায়ে হেটে চলাচলের জন্য। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে ওই এলাকায় জনসংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু সেতুটি রয়ে গেছে মান্দাতা আমলেরই। অপ্রস্ত ওই সেতুর ওপর দিয়ে ছোট ছোট যানবাহন চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হয়। তেমনি পথচারীদেরও চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আনন্দ বাজার সাতপাই এলাকাটি এখন পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ন আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিনত হয়েছে। ওই সেতুর ওপর দিয়ে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ, টিটার্স ট্রেনিং কলেজ, জেলা শিক্ষা অফিস, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং সাতপাই এলাকা থেকে সেতুর ওপর দিয়ে আন্তঃজেলা বাস স্ট্যান্ড, এলজিইডি, জেলা প্রশামকের কার্যালয়, এসপি অফিসসহ বিভিন্ন অফিসে যাতায়াত করতে হয়। দুই এলাকার সংযোগের মাধ্যম ওই পাকা সেতু। ওই সেতুর ওপর দিয়ে বড় কোন যানবাহন চলাচল করতে পারে না। শুধু অটো এবং রিকশা চলাচল করতে পারে। সেতুটি অপ্রশস্থ হওয়ায় এলাকাবাসী ও পথচারীদের চলাচলে খুবই অসুবিধে হয়। সেতুর ওপর একটি রিকশা উঠলে ওপর দিক থেকে এমটি মোটর সাইকেল পাড় হতে গেলে সমস্য দেখা দেয়। এমনকি পথচারীও নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে না। এ ছাড়া সেতুটি জরাজীর্ন ও দুর্বল হয়ে পড়েছে। যে কোন সময় ভেঙে পড়ারও আশংকা রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি অবিলম্বে আনন্দ বাজার সেতুটি ভেঙে নতুন ও প্রশস্থ সেতু নির্মাণের।
সাতপাই এলাকার বাসিন্দা কবীর হোসেন চান মিয়া, এ কে এম এরশাদুল হক জনি বলেন, সেতুটির পাশ খুবই কম। সেতুটির ওপর রিকশা বা অটোরিকশা উঠলে আমরা মোটর সাইকেল নিয়ে সেতু দিয়ে চলতে পারিনা। একটি যানবাহনকে সেতু থেকে নেমে গেলে অন্যটির উঠতে হয়। এমনকি পথচারীদের হেটে যেতেও সমস্যা হয়। সেতুটি প্রশস্থকরণ এখন সময়ের দাবি। আনন্দ বাজার এলাকার বাসিন্দা রুমেন বলেন, ব্রীজটি নির্মাণের সময় চিন্তা করা উচিত ছিল এটির ওপর দিয়ে শুধু পথচারী নয় যানবাহনও চলাচল করতে পারে। তাহলে আজ আর এ অবস্থা হত না। অপ্রশস্ত এ সেতুটি সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এলাকাবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে প্রশস্ত করা উচিত। নেত্রকোনা পৌর সভার মেয়র আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম খান বলেন, আনন্দ বাজার এলাকার ওই সেতুটি প্রশস্ত করা হবে এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়ার কার্যক্রমও চলছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *