ঝুঁকির মুখে চামড়া শিল্প

সারাবাংলা

আবুল হায়দার তরিক, মৌলভীবাজার থেকে:
সরকার নিধারিত মূল্যে চামড়ার দাম না পাওয়ায় ঝুঁকির মুখে পড়েছে চামড়া ব্যবসা। রফতানিকারক এ চামড়া উৎপাদনের প্রধান মৌসুম কোরবানির ঈদ। প্রতি বছর কোরবানির ঈদে বার্ষিক উৎপাদিত চামড়ার প্রায় অর্ধেক চাহিদা পূরণ করে। কিন্তু ২০১৪ সাল থেকে চামড়া ব্যবসায় ধস নামার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা ব্যবসা ছাড়তে শুরু করেছে। মৌলভীবাজার জেলার সদর উপজেলার বালিকান্দি গ্রামের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ একসময় চামড়া ব্যবসা করতো। কিন্তু ২০২১ সালে এসে এই গ্রামের চামড়া ব্যবসায়ীর হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ৫ শতাংশের নিচে।
মৌলভীবাজারের বালিকান্দি দুইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী চামড়া ব্যবসায়ী গ্রাম। একটা সময় এই গ্রামে সমগ্র মৌলভীবাজার জেলার চামড়ার পাশাপাশি এ গ্রামে পাশ্ববর্তী জেলা হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জেরর একাংশের চামড়া আসতো। মৌসুমি চামড়া শ্রমিকদের আয় রোজগারের একটি বড় মাধ্যম ছিল এই চামড়া ব্যবসা। অথচ দেশে-বিদেশে চামড়ার প্রচুর চাহিদা থাকা সত্ত্বে এই গ্রামের চামড়া ব্যবসায়ীরা লোকসানের ভয়ে এই ব্যবসা ছেড়ে দিচ্ছেন। আর তাদের এই ব্যবসা ছেড়ে দেওয়া মানে মৌলভীবাজার জেলায় হাজার-হাজার কোরবানির পশুর চামড়া পচে নষ্ট হয়ে যাওয়া। এছাড়া অনেকে চামড়া নিতে আগ্রহী কাউকে না পেয়ে তা মাটিতে পুতে রাখেন। এই গ্রামের অনেক চামড়া ব্যবসায়ী এখন ভিন্ন পেশায় ঝুঁকে পড়ছেন। অনেকে চামড়া ব্যবসায় লোকসান করে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। স্বল্প পুঁজির ব্যবসায়ীরা এখন জ্বালানী কাঠ, বাঁশ, বা কৃষিপণ্যসহ অন্য ব্যবসায় রূপান্তরিত হচ্ছেন। এলাকার অধিকাংশ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১৪ সালের আগে বালিকান্দি গ্রামে প্রায় দেড়-দুইশ চামড়া ব্যবসায়ী ছিল। কিন্তু ২০২১ সালে এসে এখানে চামড়া ব্যবসায়ীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ থেকে ৭ জনে। যারা ট্যানারী আড়তদারের কাছে টাকা পান শুধু তারাই পুরাতন টাকা আদায়ের আশায় এই ব্যবসায় জড়িত রয়েছেন। অনেকে আছেন ট্যানারী আড়তদারদের কাছে টাকা পান, কিন্তু টিকে থাকার সামর্থ নেই। তাই ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। গত ২০২০ সালের কোরবানির ঈদের আগে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলার চামড়া ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সভা করে দেশের এই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় স্বল্প মূল্যে লবন ও সরকার নিধারিত মূল্যে চামড়া বিক্রি করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সেই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের চামড়া কেনার উৎসাহ দেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান। তার প্রতিশ্রুতি পেয়ে বালিকান্দি গ্রামের চামড়া ব্যবসায়ীরা চামড়া কিনে প্রক্রিয়াজাত করেন। বড় চামড়ায় ১৫ কেজি এবং ছোট ও মাঝারী চামড়ায় ৮ থেকে ১২ কেজি লবন দিতে হয়। তার সঙ্গে শ্রমিকদের মজুরী যুক্ত হয়। লবন ও শ্রমিকদের মজুরী অগ্রীম দিয়ে দিতে হয়। সব মিলে চামড়া কেনাও লবন দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করতে তাদের ব্যয় হয় প্রায় ২০ থেকে ২২ টাকা প্রতি ফুট। কিন্তু ২০ থেকে ২২ টাকা মূল্যের চামড়া আড়াই থেকে তিন মাস পরে তাদের বিক্রি করতে হয়েছে ৮ থেকে ১২ টাকা মূল্যে প্রতি ফুট। এতে চামড়া ব্যবসায়ীরা বিপুল লোকসানের মুখে পরতে হয়। সেই লোকসানের ভয়ে এবার কোরবানির ঈদে চামড়া কেনার কোনো প্রস্তুতি নেই এসব চামড়া ব্যবসায়ীদের। তার উপর করোনাভাইরাসের সংক্রামণ অতি দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। এই পরিস্থিতিতে শ্রমিক জমায়েত ঘটিয়ে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। একদিকে ব্যবসায়ীর কমে যাওয়া, অপরদিকে লোকসানের ভয়ে চামড়া না কেনা নিয়ে মৌলভীবাজারে এবারের কোরবানির ঈদে পচনশীল এ চামড়া ব্যবসা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। লোকসানের ভয়ে বিচলিত এই চামড়া ব্যবসায়ীরা একসময় ফরিয়া নিয়োগ দিতো। প্রতি ফরিয়াকে কোরবানির ঈদ মৌসুমে ৫০ হাজার থেকে শুরু করে লাখ টাকা চামড়া কেনার জন্য অগ্রীম দিয়ে রাখতেন। নিয়োগকৃত ফরিয়ারা চামড়া কিনে প্রক্রিয়াজাত করে তাদের লভাংশ রেখে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতো। ফরিয়ারা হয়ে যেতো মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী। কিন্তু বিগত কয়েক বছর থেকে চামড়া ব্যবসায়ীদের এই প্রচলন আর চলমান নেই। নেই চামড়া সংগ্রহের উৎসব আমেজ। মৌলভীবাজার জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্য মতে, ২০২০ সালে মৌলভীবাজার জেলায় গবাদিপশু ৫৫ হাজার ১৬৪টি, মহিষ ২২৮টি, ছাগল ২৫ হাজার ৯টি, ভেড়া ৭৫০টি কোরবানি দেওয়া হয়েছে। এবার সম্ভাব্য কোরবানী পশুর চাহিদা রয়েছে ৭৩ হাজার ৩৫টি গবাদি পশুর। চাহিদার বিপরীতে ৬৮ হাজার ৩১১টি গবাদি পশু প্রস্তুত আছে। অবশিষ্ট ৪ হাজার ৭২৪টি গবাদি পশু দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এনে সংকট নিরসন করা হবে। বিগত ২০১৯ ও ২০২০ সালের কোরবানির ঈদে কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রেতারা এসে বেচতে না পাড়ায় শহরের শ্রীমঙ্গল সড়কে ফেলে যান। সব চামড়া পচে দুর্গন্ধ ছড়ালে পৌরসভার উদ্যোগে তা মাটি চাপা দেওয়া হয়। অনেক চামড়া মনু নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। মৌলভীবাজার জেলার চামড়া ব্যবসায়ীদের লোকসানের সংশয় থেকে চামড়া না কিনলে এই পরিস্থিতি এবার আরও ভয়াবহ হবে। নষ্ট হবে জাতীয় এ সম্পদ। বালিকান্দি চামড়া ব্যবসায়ীরা দাবি করেন ট্যানারী আড়তদাররা সিন্ডিকেট করে সময় ক্ষেপণ করে পরবর্তী সময়ে অর্ধেক দামে ও বাকিতে চামড়া নেওয়ার ধান্ধায় এমনটা করছে। বাকি টাকাগুলো খুব সহজে তাদের কাছ থেকে আদায় করা যায় না। অনেক চামড়া ব্যবসায়ীদের টাকা পরিশোধ করেনি আড়তদাররা। এসব চামড়া ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে টাকার আশা ছেড়ে দিয়ে জীবিকার তাগিদে অন্য পেশার নেমেছেন। বালিকান্দি চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শওকত জানান, আমি প্রায় ১২ বছর বয়স থেকে চামড়া ব্যবসার সঙ্গে জড়িত । বালিকান্দি গ্রামে প্রায় দেড়-দুইশ চামড়া ব্যবসায়ী ছিল। বর্তমানে হাতে গোনা ৪ থেকে ৫ জন চামড়া ব্যবসায়ী রয়েছে। বিগত ২০১৪ সাল থেকে চামড়া ব্যবসায় ধস নামায় আমাদের গ্রামের প্রায় কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। গত ২০২০ সালের কোরবানির ঈদের আগে জেলা প্রশাসক আমাদের চামড়া ব্যবসায়ীদের নিয়ে সভা করে আমাদের ঋণ বা লবন কিনে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কোনো ব্যাংক চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণ দেন না। আমাদের স্বল্প পুঁজিতে চামড়া কেনার পরিকল্পনা ছিল। আমরা সরকার নিধারিত মূল্যে চামড়া বিক্রি করতে পারি না। কিনার অর্ধেক মূল্যে বিক্রি করি। চামড়া ট্যানারী কোম্পানি সিন্ডিকেট করে চামড়া কম মূল্যে এবং বাকি নেওয়ার উদ্দেশ্যে সময় ক্ষেপণ করে। ফলে আমরা চামড়া কেনার ভয়ভীতির মধ্যে আছি। তখন জেলা প্রশাসক বললেন- আমাদের ২৮ টাকা চামড়া বিক্রি করে দেবেন। তার আশ্বাসে আমি ৭ হাজার চামড়া কিনি। প্রথম একটি চালান নিয়ে ১২ থেকে ১৩ টাকা মূল্যে বিক্রি করি। তারপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি আমাদের জানান- মন্ত্রণালয় ও ট্যানারী অ্যাসোসিয়েশনে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন। কিন্তু আড়াই-তিন মাস অতিবাহিত হওয়ার পর পচনশীল চামড়া এখানে ৮ থেকে ১২ টাকা মূল্যে বিক্রি করি। এতে আমার ৪ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। বালিকান্দি চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গত ২০১৪ সাল থেকে চামড়া ব্যবসায় ধারাবাহিক ধস নেমে আসায় আমরা প্রতি বছর লোকসানের মুখে পরতে হচ্ছে। গত ২০২০ সালের কোরবানির ঈদে আমরা চামড়া কিনতে ভরসা পাচ্ছিলাম না। এসময় মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক আমাদের আশ্বস্ত করেন সরকার নির্ধারিত ২৮ টাকা মূল্যে চামড়া বিক্রি করিয়ে দেবেন। তার আশ্বাসের উপর ভরসা করে চামড়া কিনি। প্রতি ফুট চামড়া ক্রয় ও প্রক্রিয়াজাতকরণে প্রায় ২০ টাকা ব্যয় হয়। আমি ২ হাজার ৬০০ পিস চামড়া কিনি। কিন্তু ঈদের পরবর্তী তিন মাস সময় আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনো ধরনের সহযোগিতা না পেয়ে ৮ থেকে ১০ টাকা মূল্যে চামড়া বিক্রি করি। এতে আমার কয়েক লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। বালিকান্দি চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির প্রচার সম্পাদক এলিম আহমদ জানান, প্রথমত এই কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো শ্রমিক নিয়োগ দেইনি। পুঁজি ছাড়া শ্রমিক নিয়ে কি করবো? আমাদের কাছে পুঁজি নেই। প্রতি শ্রমিককে অগ্রীম ২ হাজার করে দিতে হয়। দ্বিতীয়ত লবন কিনতে হয় নগদ টাকায়। লবন কোনো দোকানী আমাদের বাকি দেয় না, কারণ আগে লোকসান দিয়ে আমরা লবনের ধার শোধ দিতে পারিনি। চামড়া বিক্রি করে শ্রমিকের টাকাই দিতে পারি না। বর্তমানে প্রতি বস্তা লবনের দাম একশ থেকে দেড়শ টাকা বেড়েছে। এই অবস্থায় আমরা চামড়া কিনে কি করবো? এবার আমাদের চামড়া কেনার কোনো পরিকল্পনা নাই। এদিকে এবার করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন চলছে। ঈদের পরে হয়তো কঠিনতম লকডাউন আসতে পারে। এই অবস্থায় আমরা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে কিভাবে কি করবো? ট্যানারীতে মাল কিভাবে পাঠাবো কিছুই বুঝতে পারছি না। তার উপর গত বছরের মতো ক্ষতি হলে কি হবে? আমরা ব্যাংক থেকে ঋণ সংগ্রহ করি, ব্র্যাক থেকে ঋণ সংগ্রহ করি , লোকসান দিতে দিতে ভিটেবাড়ি ছাড়ার অবস্থা। বালিকান্দি চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য জাহাঙ্গির আলম জানান, আমাদের ঈদে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে যে শ্রমিক কাজ করবে তাদের মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হই কিনা সে চিন্তায় ভুগছি। চামড়া নাও কিনতে পারি। চামড়া কিনে কি করবো? শ্রমিক নেই, কাজ করাতে পারবো না। চামড়া কিনে কি হবে? তার উপর লোকসানের ভয় তো আছেই। বালিকান্দি গ্রামের সাবেক চামড়া ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সুন্দর জানান, তিনি ছোটবেলা থেকে চামড়া ব্যবসা করতেন, লোকসান দিতে দিতে এখন আর করেন না। এখন ঘরবাড়ি নেই। এক সময় এই গ্রামের ৮০ শতাংশ লোক চামড়া ব্যবসায় জড়িত ছিল, এখন ৫ শতাংশও নেই। এখন যে সব ব্যবসায়ী এই ব্যবসায় আছেন তাদের অন্য কোনো উপায় নেই দেখে আছেন। অনেকের লাখ লাখ টাকা আড়তে পরে আছে। এক সময় বালিকান্দি গ্রামে সমগ্র মৌলভীবাজার জেলা ছাড়াও হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের একাংশের চামড়া আসতো। এখন লোকসানের ভয়ে কেউ চামড়া আনে না। সাবেক আরেক চামড়া ব্যবসায়ী মো. খলিল মিয়া জানান, আমি চামড়া ব্যবসায়ী ছিলাম, এখন লোকসান দিয়ে সব পুঁজি ঢাকা ও হাজারিবাগের আড়তদার শেষ করে দিয়েছে। এখনও ব্যাংকে ঋণ রয়েছে। চামড়া ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছি। জীবিকার তাগিদে এখন কাঠের ব্যবসা করি। মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, এবারের কোরবানির ঈদে চামড়া ব্যবসায়ীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে। তাদের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। তাদের সাপ্লাই চেইন ম্যান্টেইন করার কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে চামড়া সংরক্ষণের জন্য আমাদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মেয়ররা লবন সরবরাহ করবেন। চামড়া-শিল্প দেশের সম্ভাবনাময় প্রধান শিল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম। রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করার অন্যতম প্রধান খাত এটি। এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিভিন্ন স্তরের বহু ব্যবসায়ীসহ দেশের এক বিশাল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবিকা নির্বাহ। এই কারণে শিল্পের উন্নতি ও ক্রমবিকাশের প্রয়োজনীয় উদ্যোগের পাশাপাশি চামড়া রক্ষণাবেক্ষণের সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রয়োজন। তা না হলে এবারো নষ্ট হবে দেশের জাতীয় এ-সম্পদ এমনটাই মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *