টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: সুপার টুয়েলভের সুপার লড়াই আজ

খেলাধুলা

খেলাধুলা ডেস্ক: ২০১৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ শেষ হয়েছিল যে দুই দলের ম্যাচ দিয়ে, চলতি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের সূচনার দিনে আজ মুখোমুখি হচ্ছে পাঁচ বছর আগের ওই দুই দল। ২০১৬ সালে কলকাতার ‘নন্দন কানন’ ইডেনে ফাইনাল খেলেছিল ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টি-২০ ক্রিকেটে ক্যারিবীয়রা বিশ্বসেরা হয়েছিল ম্যাচের শেষ ওভারে ক্রেইগ ব্রেথওয়েইটের অবিশ্বাস্য ৪ ছক্কায়। ওই আসরের পর করোনাভাইরাসসহ নানা জটিলতায় শিডিউল মেনে হতে পারেনি টি-২০ বিশ্বকাপ। আজ দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৮টায় বর্তমান টি-২০ চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট খেলবে ৫০ ওভারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। একই দিন বিকাল ৪টায় আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। সুপার টুয়েলভে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের বাংলাদেশ খেলবে গ্রুপ-ওয়ানে। আগামীকাল টাইগারদের প্রথম ম্যাচ শারজায়। একই দিন দুবাইয়ে ব্যাট-বলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে নামবে দুই চিরপ্রতিদ্ব›দ্বী ও চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তান।

দুই ধাপে টি-২০ বিশ্বকাপ শুরু হয় ১৭ অক্টোবর। প্রথম পর্বে আট দল দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অংশ নেয়। গ্রুপ-‘বি’তে খেলেছে বাংলাদেশ। গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে সুপার টুয়েলভের গ্রুপ-ওয়ানে জায়গা নেয় মাহমুদুল্লাহ বাহিনী। সুপার টুয়েলভে সরাসরি আট দল খেলার সুযোগ পেয়েছে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকায়। বাকি চার দল প্রথম পর্ব খেলে এসেছে। গ্রুপ-ওয়ানে বাংলাদেশ খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা। গ্রুপ টুয়ে খেলবে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নিউজিল্যান্ড, স্কটল্যান্ড।

২০১৬ সালে টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ড ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫৫ রান করেছিল। জো রুট করেছিলেন ৫৪। চ্যাম্পিয়ন হতে ১৫৬ রানের টার্গেটে শেষ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চাই ১৯ রান। প্রথম দুই ওভারে ১৭ রান দেওয়া বেন স্টোকস বোলিং করেন  স্টোকসের ওভারের  প্রথম ৪ বলে ৪ ছক্কা হাঁকিয়ে ইতিহাস গড়েন ব্রেথওয়েইট। ২০১২ সালের পর পুনরায় চ্যাম্পিয়ন করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। দুই দল এখন পর্যন্ত ১৮ বার পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে। ক্যারিবীয়দের ১১ জয়ের বিপরীতে ইংলিশদের জয় সাতবার। আবুধাবিতে অস্ট্রেরিয়ার প্রতিপক্ষ আরেক ক্রিকেট পরাশক্তি দক্ষিণ আফ্রিকা। দল দুটি ক্রিকেট পরাশক্তি। কিন্তু টি-২০ শিরোপা জিততে পারেনি। অস্ট্রেলিয়া মাত্র একবার ফাইনাল খেলেছিল ২০১০ সালে। রানার্সআপ হয়েছিল। প্রোটিয়ারা একবারও ফাইনাল খেলেনি। দুই দলের পরিসংখ্যানে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া। ২১ ম্যাচে ১৩ জয় এবং হার আটটি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *