‘তামিমের মতো ভাগ্য ছিল না’

খেলাধুলা

অনলাইন ডেস্ক : এ সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলা শুরু করলেও, নামের পাশে তামিম-মুশফিকের মতো রান না থাকায় আফসোস হয় সব সময়। বারবার চেষ্টার পরও জাতীয় দলে জায়গা ধরে রাখতে পারেননি।
এখন আর ভবিষ্যত নিয়ে পরিকল্পনা করেন না ইমরুল কায়েস। সামনের দুই বছর জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচি মাথায় রেখে কাজ করছেন। তবে, ব্যাটিং পরামর্শক না থাকায় কিছুটা ঝামেলায় পড়েছেন তিনি।
ইমরুল কায়েসের পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়ার আক্ষেপ নতুন নয়। ফর্মে থাকার পরও, বাদ পড়েছেন এমন ঘটনাও আছে ইমরুলের ক্যারিয়ারে। তিন ফরম্যাটে তামিম, মুশফিক, সাকিব কিংবা মাহমুদউল্লাহ- সমসাময়িক এই ক্রিকেটাররা ৮ থেকে ১৩ হাজার রানের মালিক। চারজনই খেলেছেন তিনশ’র বেশি ম্যাচ। কিন্তু, এক যুগের ক্যারিয়ারে সব মিলিয়ে ইমরুল আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন মোটে ১৩১টি। তামিম-সাকিবরা নিজেদের নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। কিন্তু বারবার ছিটকে গেছেন সতীর্থ ইমরুল।
এ বিষয়ে ইমরুল কায়েস বলেন, একই সময়ে খেলা শুরু করেছি। তামিম এক বছর আগে শুরু করেছে। কিন্তু ওর এতো রান। সুযোগ পেলে হয়তো আমারও সেটা থাকতো। আমার হয়তো সেই সুযোগ বা ভাগ্য ছিলোনা।
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান ডেভিড ওয়ার্নার ক’মাস আগে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ২০২৩ বিশ্বকাপ টার্গেট করেই প্ল্যান সাজাচ্ছেন।
বারবার জাতীয় দলের পথ হারানো ইমরুলের কাছে এসব গল্পের মতো লাগে। ২০২৩ বিশ্বকাপ তো পরের কথা, জানুয়ারির ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ নিয়ে পরিকল্পনার কথাও নিঃসঙ্কোচে বলতে পারেননা এই ব্যাটসম্যান।
তিনি বলেন, আপনি যখন জানবেন, টিমের আপনাকে নিয়ে প্ল্যান আছে, আপনি আত্মবিশ্বাসী থাকবেন। টিমের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকবে। আপনি ২০২৩ বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন- এটা জানলে সেভাবে পুষ্টি কিংবা ফিটনেসের দিক থেকে প্রস্তুতি নেবেন। কিন্তু যখন জানবেন না কিংবা দলে থাকা নিয়ে দোটানায় থাকবেন, তখন এটা মেইনটেইন করা খুব কঠিন।
৩৩ বছর বয়সেও জাতীয় দলে নিয়মিত হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। বরাবরের মতো ধৈর্য্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নিজের ব্যাটিং টেকনিক নিয়ে বেশি মনোযোগী এই টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান। কিন্তু নেইল ম্যাকেঞ্জির বিদায়ের পর টাইগারদের ব্যাটিং পরামর্শক না থাকায় কিছুটা বিপাকেই পড়েছেন তিনি।
ইমরুল কায়েস বলেন, ব্যাটিং পরামর্শক থাকলে অনেক পরামর্শ দিতে পারে। কোথাও কোনো সমস্যা হলে জিজ্ঞেস করতে পারি। নতুন কিছু করার হলে সে ও বলতে পারে- এটা কিছুদিন চেষ্টা করে দেখো। কিন্তু এখন সেটা করতে পারছিনা। যেহেতু ম্যাকেঞ্জিও নেই এখন। এলিট পর্যায়ে ব্যাটসম্যানদের অতো কিছু শেখানোর থাকেনা।
তবুও কিছু বিষয় নিয়ে কাজের সুযোগ আছে। আপাতত আমার সমস্যা হলে, ফাহিম স্যারের (নাজমুল আবেদিন ফাহিম) সঙ্গে কথা বলি।
প্রেসিডেন্টস কাপে দল চ্যাম্পিয়ন হলেও, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো হয়নি। বঙ্গবন্ধু কাপের আগে টি-টোয়েন্টির মেজাজ আয়ত্তের চেষ্টায় আছেন ইমরুল কায়েস।

1 thought on “‘তামিমের মতো ভাগ্য ছিল না’

  1. ইমরুল কখনই ধারাবাহিকতা ছিল না, যেমন টা তামিমের ছিল।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *