তিলাই জয়চন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়ে বেড়েছে শিক্ষার্থী উপস্থিতি

সারাবাংলা

একরামুল হক লাবু, নীলফামারী থেকে
নীলফামারী সদরের তিলাই জয়চন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কঠোর স্বাস্থ্যবিধি ও নির্দেশনা মেনে চলছে শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম। গত শনিবার দুপুরে সরেজমিন দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষে স্বাস্থবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের শুরু হওয়া পাঠদান কার্যক্রমের ৭ম দিনেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে ভিন্ন রকম আনন্দ। দীর্ঘদিন বিদ্যালয় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি সকলকে যেন করেছে নিসঃঙ্গ। বর্তমানে এখন এই নিঃসঙ্গতা কাটাতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন সকল শিক্ষক। তথ্য অনুযায়ী তিলাই জয়চন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ হতে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ৩২৮জন। রুটিন অনুযায়ী শ্রেণি পাঠদানে দিন দিন শিক্ষার্থী উপস্থিতিবৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় দেড় বছরের অধিক সময় ধরে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসতে পারেনি। সরকারে নির্দেশনা মেনে ১২ সেপ্টেম্বর হতে ক্লাসে ফিরেছে শিক্ষার্থী। নিয়মিত শেণি কক্ষে সকল শিক্ষার্থীদের ফেরাতে সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। শুরুতে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও দিনে দিনে বাড়ছে এ্ উপস্থিতি সংখ্যা এমনটাই জানালেন প্রধান শিক্ষক। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি সন্তোজনক করতে শিক্ষকদের নিয়ে অনুপস্থিত থাকা শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফেরানোর জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।
এসময় শ্রেণি কক্ষে উপস্থিত ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্খী লতা রানী ও বর্ষা আখতার বলেন আমরা আর বাড়ীতে বসে থাকতে চাই না। স্বাস্থবিধি মেনে এভাবে সবসময় আমরা ক্লাস করতে চাই্। স্কুলে এসে সবার সঙ্গে দেখা হওয়ায় আমাদের এখন অনেক আনন্দ লাগছে। বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা নীলিমা বর্ম্মন বলেন, স্বাস্থ্যবিধি ও রুটিন অনুযায়ী বিদ্যালয়ে আগত শিক্ষার্থীদের সকল ধরনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিলাই জয়চন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুকুমার রায় বলেন, সরকারের সব নির্ধেশনা মেনে শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বিদ্যালয়ে আগত সকল শিক্ষার্থীদের তাপমাত্রা পরিমাপ করা, সাবান পানি দিয়ে বার বার হাত ধোয়ার ব্যবস্থা ও শ্রেণি কক্ষে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে মাস্ক পরিধান করা এবং আগত শিক্ষার্থীদের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে আলাদা করে তার আইসোলেন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুরুর দিকে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম থাকলেও দিনে দিনে এ সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *