দশমিনায় ফসলী জমিতে বন বিভাগের লাল নিশান

সারাবাংলা

সাফায়েত হোসেন, দশমিনা থেকে : দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের পূর্ব কালিরচর, উত্তর চরশাহজালার, চরতৈলক্ষ্য, চর সামাদ ও চর ভোলাইশিং এলাকার শতাধিক একর রেকর্ডিও ও বন্দোবস্ত কৃত জমিতে লাল নিশান টাঙিয়ে বনবিভাগ জোর পূর্বক কেওড়া ও ছইলা গাছের চারা রোপনের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রেকর্ডিয় ও বন্দোবস্ত কৃত জমিতে গাছের চারা রোপন বন্ধের দাবীতে লিখিত অভিযোগ করেছেন জমির মালিকদের পক্ষে নাসির হাওলাদার। লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, রেকর্ডীয় জমির খাজনা নিয়মিত পরিশোধ করে আসছেন মালিকরা এবং ২০০০-০১-২০০৬-০৭- ২০১০-১১ সালে বন্দোবস্তকৃত জমির মালিকানা বুঝিয়ে দিয়েছেন উপজেলা ভূমি অফিস। এসব জমি চাষাবাদ করে শতাধিক পরিবার জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। রনগোপালদী ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম আসাদুল হক নাসির সিকদার জানান, বন বিভাগ লাল নিশান টাঙিয়ে জোর পূর্বক রেকর্ডীয় ও বন্দোবস্তকৃত মালিকানা জমিতে গাছের চারা রোপন করছেন এবং তাদের নিষেধ করা হলেও তা মানছেন না। এব্যাপারে উপজেলা বন কর্মকর্তা অমিতাভ দে জানান, আমরা কারো রেকর্ডীয় ও বন্দোবস্তকৃত জমিতে বনায়ন করছি না তেতুলিয়া নদীতে জেগে ওঠা চরে বনায়ন করা হচ্ছে। এব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল কাইয়ুম এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌস জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *