দূর্গা প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পী

Uncategorized

উবায়দুল্লাহ রুমি, ঈশ্বরগঞ্জ থেকে
করোনাকালে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকলেও পুরোদমে এগিয়ে চলছে ঈশ্বরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা প্রতিমা তৈরির কাজ। ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তাদের মাকে বরণ করার জন্য। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার অনেকটা আগেই কারিগররা প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করেছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর দেবীর আর্বিভাবের পর ২২ অক্টোবর মহাষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে শুরু হবে দেবীর পূজার্চনা। মণ্ডপে মণ্ডপে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে মৃৎশিল্পীরা। আবহমানকাল থেকে বাঙালী হিন্দুরা তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা সার্বজনীন ভাবে পালন করে আসছে। এরই ধারাহিকতায় এ বছর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৫৫ টি পূজা মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দূর্গা পূজা। উপজেলার বিভিন্ন মণ্ডপে গিয়ে দেখা যায়, মৃৎশিল্পীরা তাদের মনের মাধুরী মিশিয়ে মাটির প্রাথমিক কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পূজার সময় যতই ঘনিয়ে আসছে মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততাও ততই বাড়ছে। একজন মৃৎশিল্পী কয়েকটি মন্ডপে মূর্তি তৈরির অর্ডার নেওয়ার কারণে দিনরাত কাজ করতে হচ্ছে। পূজা শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে থেকেই শুরু হয় রং এর কাজ। এসময় ব্যস্ততা বেড়ে দিগুণ হয়ে যায় কারিগরদের।
আঠারবাড়ী শিব বাড়ী মন্ডপের মৃৎশিল্পী উজ্জল চন্দ্র বর্ম্মন (২৯) বলেন, এ বছর ৮টি মণ্ডপে মূর্তি তৈরির কাজ করছি। বছরের অন্য সময় তেমন কোন কাজ না থাকায় এসময়টার জন্য আমরা অধীর অপেক্ষায় থাকি। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রামকৃষ্ণ সাহা জানান, কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদ কর্তৃক করোনা সংক্রান্ত ২৬টি নির্দেশনা সম্পর্কে উপজেলার প্রত্যেকটি মন্দিরের পূজারীদের অবহিত করছি। যাতে করোনাকালে সুষ্ঠুভাবে পূজা উদযাপন করা যায়। নিরাপত্তার বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান আকন্দ জানান, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। এ বছর আরো অধিক হারে নজরদারি বৃদ্ধি করা হবে যাতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ধর্মীয় অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা যায়।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *