ধরলা নদীর বাঁধে দুর্বৃত্তের কোপ

সারাবাংলা

রফিকুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম থেকে
ফুলবাড়ীতে ধরলা নদীর প্রটেকশন (ওয়াপদা) বাঁধটি রাতের আঁধারে কেটে দেওয়ায় প্রায় কুঁড়ি হাজার মানুষের চলাচল বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের পূর্বধনিরাম গ্রামের জলকপাটের পশ্চিম পাশে ছাটকুঠি এলাকায় বাঁধের অংশ কেটে ফেলা হয়। এলাকায় এমন ঘটনায় মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, জলের তোড়ে এরই মধ্যে ওই এলাকার নুর মোহাম্মদের বসতবাড়ি ভেঙে গেছে। হুমকির মধ্যে রয়েছে সিরাজুল ইসলাম, বাবলু মিয়া, বজলে ও ফজলের বসতবাড়ি। এ ছাড়া কেটে দেওয়া ওয়াপদা বাঁধের মঝ্যেখানে দাঁড়িয়ে আছে লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছাটকুঠি সেতুটি। ফলে চারদিন ধরে পূর্ব-ধনিবাম ও পশ্চিম ধনিবার এখন সম্পূর্ণভাবে যোগাযোগ বিচিছন্ন।
ওয়াপদা বাঁধটি কেঁটে দেওয়ায় পাশের গ্রাম বাঘ খাওয়ার চর, পূর্ব ধনিরাম আবাসন প্রকল্প, গেটের বাজার, ব্যাপারী টারী, সাহেব বাজার, ঘাটিয়ালটারী, ঘোঘারকুঠি, ছাটকুটি ও হাজির বাজারসহ প্রায় ২০ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিছিন্নতায় পড়েছেন। স্থানীয় জহুরুল হক, রহমত আলী, মজিবর রহমান ও রাকিবুল হাসানসহ অনেকে জানান, এ নিয়ে ওই এলাকায় তিন থেকে চার বার ওয়াপদা বাঁধ কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটলো। কিন্তু পাশেই জলকপাট দিয়ে জল নিয়মিতভাবে নিষ্কাসন হলেও কেন বাঁধটি কেটে দেওয়া হলো তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তারা বাঁধটি দ্রুত সংস্কার দাবি জানিয়েছেন।
বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খয়বর আলী জানান, রাতের আঁধারে কে বা কারা এই বাঁধটি কেটে দিলো আমার জানা নেই। এটি অন্যায় করা হয়েছে। তবে এ নিয়ে ওয়াপদা বাঁধটি তিন থেকে চার বার কেটে দিল। এখন সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান জানান, বিষয়টি কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। তারা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *