ধামসোনা ইউনিয়নের উজ্জ্বল নক্ষত্র

সারাবাংলা

আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি:
ঢাকার আদূরে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়া এখানে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মানুষ কর্মজীবনে ব্যস্ত থাকেন, তেমনি একটি ব্যস্ততম ইউনিয়ন, সাভারের আশুলিয়া থানাধীন স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের, মুন্সী বাড়ির কৃতিসন্তান মো. এনামুল হক মুন্সী। তিনি ধামসোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। আশুলিয়া থানার গাজীরচটের ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের মুন্সিবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ছাত্র জীবন থেকে তিনি ছাত্রলীগ ও যুবলীগ ও আওয়ামী রাজনীতি সঙ্গে জড়িত। তিনি বর্তমানে ধামসোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি তিনি নবগঠিত আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সম্মানিত সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গাজীরচট এ. এম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও গাজীরচট মুন্সিপাড়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার সাধারণ সম্পাদক হিসাবে সততার সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি করোনাকালীন সময়ে এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, সরকারি-বেসরকারি অনুদানের পাশাপাশি নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দিয়েছেন।
বিভিন্ন রাস্তা ঘাট, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের সাথেও জড়িত আছেন তিনি। রাজনীতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ভালোবাসা, আন্তরিকতা আর সহযোগিতা নিয়ে। আওয়ামী লীগের প্রতিটি কার্যক্রমে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে চলেছেন। পারিবারিক সূত্রে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিশ্বাস করেই আওয়ামী রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন তিনি। বিগতদিনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামের গড়ে তুলেছেন এই তরুণ নেতা নেতৃত্ব দিয়েছেন।

এব্যাপারে এনামুল হক মুন্সি ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, আমি ছাত্র জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে আওয়ামী রাজনীতির করি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমার পছন্দ ও ভালোবাসার সংগঠন, আমি বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জম্ম না হলে আজকে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশকে একটি সোনার বাংলা হিসাবে গড়ে তোলা।
কিন্তু কিছু স্বাধীনতা বিরোধী কুচক্রি মহল ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে। ভাগ্যক্রমে সেসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যায়। এসময় তিনি আরও বলেন, আমি যখন গাজীরচট এ এম স্কুল ও কলেজে দায়িত্ব নিয়েছি সে থেকে পড়াশোনা মান বৃদ্ধিসহ হাই স্কুলকে কলেজে রূপান্তরিত করেছি। স্কুল ও কলেজে নতুন ভবন নির্মাণসহ সার্বিক উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি। আমি যাতে আগামীতেও এভাবে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারি আল্লাহ পাক যেন আমাকে সেই তৌফিক দেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *