নরওয়ে ধনুক হামলায় নিহত ৫

আন্তর্জাতিক

ডেস্ক রিপোর্ট: নরওয়েতে এক ব্যক্তির ছোড়া তীরের আঘাতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুইজন। পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানী অসলোর দক্ষিণ-পশ্চিমে কংসবার্গ শহরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। খবর: বিবিসির।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এই হামলায় কতজন নিহত ও আহত হয়েছেন পুলিশ তা নির্দিষ্ট করে জানাতে পারেনি। তবে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন।

পুলিশ কর্মকর্তা ওয়েভিন্দ আস বলেন, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তিনি একাই এই হামলা চালিয়েছেন।

সরকারের একজন মুখপাত্র বলেন, এই ঘটনা সন্ত্রাসী হামলা কি-না তা তদন্ত করে দেখবে পুলিশ।

কংসবার্গের মেয়র কারি অ্যানি স্যান্ড বলেন, যারা এই ঘটনার শিকার হয়েছেন এটি তাদের জন্য দুঃখজনক ঘটনা। আমার বলার কোনো ভাষা নেই।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারী কংসবার্গ শহরের একটি সুপার মার্কেটের ভেতর থেকে তীর ছুড়ে আক্রমণ চালান। এতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। সুপার মার্কেটের একজন মুখপাত্র জানান, ভেতরে ‘ভয়াবহ ঘটনা’ ঘটেছে। তবে তাদের কোনো কর্মী হাতাহত হননি।

হামলাকালীকে আটকের আগে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে বলেও জানা গেছে। ঘটনার পর হামলাকারী ভিড়ের মধ্যে চলে যান। পরে কর্তৃপক্ষ শহরের বিভিন্ন অংশ বন্ধ করে দেয় এবং বাসিন্দাদের ঘরে থাকতে বলে।

পরে আটকের পর সন্দেহভাজন হামলাকারীকে ড্রামেন শহরের একটি পুলিশ স্টেশনে নেওয়া হয়। এছাড়া হামলার পর ঘটনাস্থলে একাধিক অ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশের গাড়ি মোতায়েন করা হয়। পুলিশের হেলিকপ্টারও টহল দেয়।

এই হামলার ঘটনার পর নরওয়ের বিচারবিষয়ক মন্ত্রণালয় টুইটারে জানিয়েছে, বিচারবিষয়ক মন্ত্রী মনিকা মায়েল্যান্ডকে ঘটনা জানানো হয়েছে এবং তিনি বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

এদিকে, ঘটনার পর নরওয়ের পুলিশ বিভাগ অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে দেশব্যাপী সকল কর্মকর্তাকে আগ্নেয়াস্ত্র বহন করার নির্দেশ দিয়েছে। সাধারণত সে দেশের পুলিশ সশস্ত্র নয়।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *