নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও স্কুল খোলা চলছে ক্লাস-কোচিং বাণিজ্য

জাতীয়

এসএম দেলোয়ার হোসেন:
মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সরকারি নির্দেশনায় এক বছর ধরে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কথা থাকলেও অনেকেই তা মানছে না। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যেই সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই চালু রেখেছে বেসরকারি বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অভিযোগ উঠেছে, অতি মুনালোভী শিক্ষকরা মাসিক বেতন আদায়ে নানা কৌশলে অভিভাবকদেও জিম্বি করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুল ও কোচিং সেন্টারে টেনে নিচ্ছে। অভিভাবকরা বলছেন, প্রশাসনের চোখের সামনেই প্রতিদিন স্কুল খুলে শ্রেণিকক্ষে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোমলমতি এসব শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন অভিভাবকরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাঠ কর্মকর্তাদের যথাযথ তদারকির অভাবেই এসব প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা রেখে বাণিজ্য করছেন এক শ্রেণির শিক্ষকরা। দ্রুত এসব বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ না নিলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা করোনায় আক্রান্তের শঙ্কা রয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ বলছে, ঝড়ে পড়া রোধে এবং রুটি-রুজির তাগিদে অভিভাবকদের অনুরোধেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল-কোচিং সেন্টার খোলা রাখা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে যেসব স্কুল ও কোচিং সেন্টার খোলা রাখা হয়েছে, তাদের তালিকা করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর, লালবাগ ও হাজারীবাগ ঘুরে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকার জনপদ রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর। ঘণবসতিপূর্ণ এ জনপদের অধিকাংশই বাসিন্দাই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অধীনে বিস্তির্ণ এ জনপদে রয়েছে ৩টি ওয়ার্ড (৫৫, ৫৬ ও ৫৭)। এ জনপদে সরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১২টি। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিন্ডার গার্টেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ রয়েছে ১২০টি। ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৯টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৬২০ জন। ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৫টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫ হাজার ৮২৫ জন। এবং ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডে ২৮টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৮৬ জন। সব মিলিয়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সর্বমোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৯ হাজার ৫১৩ জন। বেসরকারি এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ৯৩.৫৫ শতাংশ। আর সরকারি এমপিওভুক্ত ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ৬.৪৫ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের কারনে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এ সময়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চলমান রাখতে সংসদ টেলিভিশনে শ্রেণি-ক্লাস সম্প্রচার শুরু করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। এরপর প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদফতর এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য টেলিভিশন ক্লাস সম্প্রচার শুরু হয়। এদিকে গত ২৮ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়িয়ে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর আগামী ২২ ও ২৩ মে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই কামরাঙ্গীরচরে বেসরকারি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রেখে নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করছেন অতি মুনাফালোভী এক শ্রেণির অসাধু শিক্ষকরা। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কামরাঙ্গীরচরের খলিফাঘাট মোড়ে মীম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ চালু রেখে নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। ওই প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোতালেবের নির্দেশেই স্কুল খোলা রেখে করোনা ঝুঁকির মধ্যেই কোমলমতি শিশুদের পড়ানো হচ্ছে। জুয়েল নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, সরকারি নির্দেশনা আমি জানি না। স্যার-ম্যাডাম আমার মা-বাবাকে ডেকে স্কুল খোলা রাখার বিষয়টি জানালে আমি নিয়মিত ক্লাস করছি। ক্লাস পরীক্ষাসহ প্রথম সাময়িকী পরীক্ষায়ও অংশগ্রহণ করেছি। স্কুলটিতে দায়িত্বরত শিক্ষিকা আফিয়া জানান, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মোতালেব জরুরি কাজে স্কুলের বাইরে রয়েছে। কী কারণে স্কুল খোলা রেখেছেন, তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্ট বুঝিয়ে দিতে স্কুল খোলা রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, প্লে-নার্সারী ও কেজি শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষার্থীকে স্কুলে আনতে বাধ্য করছেন মীম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান কর্ণধার শিক্ষক মোতালেব। সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত শিশুশ্রেণি, ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এবং দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক শিফটেই দশম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস ও কোচিং করানো হয়। সর্বনিম্ন শিক্ষার্থী প্রতি ৪শ’ টাকা থেকে ১২শ’ টাকা করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষ নিয়মিত মাসিক বেতন আদায় করছেন বলে ভুক্তভোগী অভিভাবকরা জানিয়েছেন। এক প্রশ্নের জবাবে অভিভাবকরা জানান, সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করেই বাসায় থাকা শিশুরা লেখাপড়া থেকে ঝড়ে পড়বে, এমনকি বখাটে হয়ে যাবে, নিয়মিত ক্লাসে না আসলে ছাড়পত্র দেওয়া হবে। এমন অজুহাতে শিক্ষকরা তাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করছেন। আবার শিক্ষকরা বলছেন, ক্লাস-কোচিং না করলেও নিয়মিত বেতনসহ অন্যান্য খরচ দিতে হবে। তাই বাধ্য হয়ে তারা করোনার ঝুঁকির মধ্যেই তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন। কামরাঙ্গীরচরের আলীনগর চৌরাস্তার অদুরে মোহাম্মদনগরে কেসি কিন্ডার গার্টেন অ্যান্ড হাইস্কুল, রসুলপুর ইন্টারন্যাশনাল হাইস্কুল, রসুলপুর ব্রিজ মার্কেটের রনি মার্কেট সংলগ্ন আলোড়ণ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পূর্ব রসুলপুরের ৭ নম্বর রোডে সানরাইজ কিন্ডার গার্টেন হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, এসএস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, আকবর একাডেমী, ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাস্টারমাইন্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাদারল্যান্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ, অক্সফোর্ড কিন্ডার গার্টেন, রেইনবো স্কুলসহ ১২০টি বেসরকারি স্কুল এবং , মাদরাসা ফাতিমাতুজ যাহরা ও মারকাজুল ফুরক্বান মাদরাসাসহ অন্তত ৬০টি মাদরাসা একযোগে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক শিফটে বিভক্ত করে ক্লাস ও কোচিং করানো হচ্ছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেউই সরকারি বিধিবিধান মানছেন না। মীম স্কুলের কর্ণধার শিক্ষক মোতালেব ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, সরকারি নির্দেশনা জেনে লাভ নেই, কামরাঙ্গীরচরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ‘কামরাঙ্গীরচর শিক্ষক ফোরাম’ নামে শিক্ষকদের একটি কমিটি ও কার্যালয় রয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি জাফর সাহেব। সেক্রেটারী আবু আউয়াল ফোরকান। তাদের নির্দেশনায় ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির পরামর্শেই স্কুল খোলা রেখেছি। এছাড়া করোনাকালে আমাদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা পোষাতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিকে আলোড়ণ স্কুলের প্রধান শিক্ষক পরিচয় দানকারী মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, প্রথম দফায় সরকার লকডাউন দেওয়ার পর থেকেই স্কুল বন্ধ রেখেছিলাম। এরপর করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সরকার সবকিছুই খুলে দেয়। রাজনৈতিক সমাবেশ, সামাজিক অনুষ্ঠান, শিল্প কারখানা, ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠান সবকিছুই সরকার খোলা রাখে। সেখানেও যথাযথভাবে মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি। কিন্তু করোনার দোহাই দিয়ে খোলেনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সরকারিভাবে কেউ আমাদের কোন সহযোগিতা করেনি। তাই স্কুল খোলা রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শিক্ষার্থীদের যথাযথ শিক্ষা প্রদান করছি। সরকারি বাধ্য বাধকতায় আমরা নেই। একতরফাভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা অশুভ লক্ষণ বলেও জানান মাসুম বিল্লাহ। পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ফি বাড়তি নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেহেতু আমাদের স্কুল এমপিওভুক্ত নয়, তাই আমাদের পরীক্ষার্থীদের ওয়াজউদ্দীন স্কুল, নুরজাহান স্কুল, আশরাফাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়গুলোর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাতে হয়। তাই ওইসব স্কুলের চাহিদানুযায়ী নির্ধারিত ফি নূন্যতম ৫শ’ থেকে ১৫শ’ টাকা হারে ফি ধার্য্য করতে হয়। সরকার নির্ধারিত ফি এর বাইরে বাড়তি ফি নেওয়া বিধি সম্মত কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর সঙ্গে যাতায়াতসহ বিবিধ খরচ রয়েছে। তাই তারা নিজেরাই ফি নির্ধারণ করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করছেন। সানরাইজ স্কুলের প্রধান শিক্ষক সমীর চন্দ্র দাস জানান, সরকারি বিধি মেনেই তারা স্কুল খোলা রেখেছেন। ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে ডেকে সব পাঠ বইয়ের সিলেবাস বুঝিয়ে দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জেএসসির রেজিঃ ফি ৭শ’ টাকা নেওয়ার পেছনে ওয়াজউদ্দীন স্কুল কর্তৃপক্ষকে ৫শ’ টাকা দিতে হয়। নতুবা রেজিঃ করবে না। তাই এমন পদক্ষেপ নিয়েছি আমরা। তিনি আরও বলেন, করোনাকালে আমাদের শিক্ষকদের বেঁচে থাকাও এখন কষ্টকর। অনেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যেই ঝড়ে পড়েছে। অনেকে ঠিকমত বেতন পরিশোধও করছে না। শিক্ষকরাও এ পেশা ছেড়ে দিচ্ছে। এমন বাস্তবতায় আমরা শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিভাবক-শিক্ষার্থীরা জানায়, কামরাঙ্গীরচরের শহীদ শেখ জামাল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, হাজারীবাগের শহীদ শেখ রাসেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, লালবাগের লালবাগ সরকারি মডেল স্কুলে এবারের জেএসসি পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ফি সরকারিভাবে ৬০ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষ আদায় করেছে ১৫০ টাকা। একই সঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেণী শেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্টের কথা বলে কতিপয় শিক্ষকরা যার যার বাসায় ডেকে নিয়ে নিয়মিত কোচিং করাচ্ছেন। সেখানে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। এতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা।
এসব ব্যাপারে লালবাগ থানা সহকারী শিক্ষা অফিসার শাহনাজ বলেন, নিরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা কেবল সরকারি স্কুলগুলো পর্যবেক্ষণ করি। বেসরকারি স্কুল দেখভালের দায়িত্ব আমাদের নয়। এ ব্যাপারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রশাসন) শাহনাজ সামাদ বলেন, সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে যদি কোন স্কুল খোলা রাখা হয়, তাহলে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও ইউএনওকে জানান। এছাড়া এসব তদারকিতে মাঠপর্যায়ে আমাদের টিও/এটিও আছে, তাদের জানান। তারা পদক্ষেপ না নিলে তা জানালে প্রয়োজনে আমরা এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধে কেন্দ্রীয়ভাবে অবশ্যই ব্যবস্থা নিবো।
এদিকে মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যে অনেক শিক্ষক নানা কৌশলে কোচিং করাচ্ছেন বলে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। কেউ যদি বাধ্য করে কোচিং করিয়ে টাকা আদায় করে তা মেনে নেয়া হবে না। কারও বিরুদ্ধে এমন তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

 

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *