নুসরাতের স্বামী নিখিলের ব্যবসায়িক আইডি হ্যাকড

বিনোদন

ডেস্ক রিপোর্ট: ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও তৃণমূল সাংসদ নুসরাত জাহানের স্বামী নিখিল জৈনের দুটি ব্যবসায়িক ব্র্যান্ডের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে। ওই দুটি অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ ব্যবসায়িক উদ্দেশে শাড়ি এবং পোশাক বিক্রির জন্য ব্যবহার করা হত। শুক্রবার গণমাধ্যমকে এ খবর নিখিলই জানান।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এটা খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। আমার ব্যবসায়িক দুটি ব্রান্ডেরই অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সমস্ত পোস্টার এবং ফটোশ্যুটের ছবি মুছে দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। তারা বলেছে, টাকার বিনিময়ে কলকাতা থেকেই কেউ এই কাজ করেছে। খুব দ্রুতই তার নাম সামনে আসবে।’

নিখিলের ওই দুটি বাণিজ্যিক ব্র্যান্ডের প্রধান মুখ ছিলেন তার স্ত্রী অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। তবে এ বছর ব্র্যান্ড দুটির জন্য নুসরাতকে বাদ দিয়ে নতুন নকশা ও নতুন মুখ নিয়ে আসছে নিখিল। সে কারণেই তিনি গত কিছুদিন দিল্লিতে ব্যস্ত ছিলেন। পুলিশের ডাক পেয়ে অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড বদল এবং সেই সংক্রান্ত কাজের জন্য তিনি কলকাতা ফিরেছেন।

শনিবার আবার ব্যবসার কারণে দিল্লি চলে গেছেন নিখিল। তার মতে, এটি সাময়িক সমস্যা। এভাবে আমার বাণিজ্যিক কোনো ক্ষতি করা যাবে না। আমার ব্যবসা আরও এগোবে।’ নিখিলের বক্তব্য, ‘আমি দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছি একদিনের জন্য। আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ডও বদলেছি।

আমার অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট করেছি। এখন বুঝতে পারছি, আমার চারদিকে শত্রু ঘুরছে। টাকার বিনিময়ে আমার ব্যবসার ক্ষতি করার জন্য কাউকে নিয়োগ করা হয়েছে। তবে এভাবে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে কেউ আমার ব্যবসার ক্ষতি করতে পারবে না।’

নিখিল নিশ্চিত, যে বা যারা টাকা দিয়ে এই কাজ করিয়েছে, তার বা তাদের নাম প্রকাশ্যে আনবে পুলিশ। কে এই কাজ করাচ্ছে, সেটা তাকে জানতেই হবে! নিখিল নিজে অবশ্য কারও নাম বলতে চাননি। বরং খানিক হতাশ গলায় বলেছেন, ‘শুধু শুধু হেনস্থা করার চেষ্টা করা হচ্ছে আমাকে। এসব করে কি কারও ক্ষতি করা যায়?’

প্রসঙ্গত, নুসরাত জাহানের সঙ্গে তার স্বামী নিখিলের সম্পর্ক একেবারেই খাদের কিনারে। নুসরাতকে নিখিল ডিভোর্স পেপার পাঠিয়েছেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। যদিও নুসরাত তা অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে, নিখিলও স্পষ্ট করে কিছু বলেননি কখনো। শুক্রবারও একই প্রসঙ্গে তিনি জানান, যেদিন বিবাহবিচ্ছেদ হবে, সেদিন আমি ঠিক জানিয়ে দেব। এখনও সেই সময় আসেনি।’

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *