https://www.dhakaprotidin.com/wp-content/uploads/2021/02/Neymar-Dhaka-Protidin-ঢাকা-প্রতিদিন.jpg

নেইমার চান, এমবাপেও তার সঙ্গে পিএসজিতে থাকুক

খেলাধুলা

ডেস্ক রিপোর্ট : প্যারিস সেন্ত জার্মেইতে খুশি মনে থাকতে চান। ফ্রান্সে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এমনটাই জানালেন নেইমার। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের চাওয়া কিলিয়ান এমবাপেও তার সঙ্গে থাকুক। গতকাল রোববার লরিয়েন্তের কাছে ৩-২ গোলে লিগ ওয়ানে হারার পর ভক্তদের এই সুখবর দিলেন সান্তোস ও বার্সেলোনার সাবেক তারকা।

পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা দলটির বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে জোড়া গোল করেন নেইমার। দুর্ভাগ্যবশত তা দলকে জেতাতে যথেষ্ট ছিল না। হেরে গিয়ে শীর্ষে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া করে ৯ বারের ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু ম্যাচ শেষে পিএসজির জন্য আনন্দের খবর দিলেন ২০১৭ সালে পার্ক দে প্রিন্সেসে আসা এই তারকা। বেশ কয়েকবার তার বার্সেলোনায় ফেরার গুঞ্জন উঠলেও এবার তার ইতি টানলেন টিএফওয়ান’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে।

ব্রাজিলের এই তারকা বললেন, ‘আমি আজ খুব খুশি। সত্যিই অনেক খুশি। অনেক কিছু পাল্টে গেছে। কারণটা আমি ব্যাখ্যা করতে পারছি না। কিন্তু আজ আমার সত্যিই ভালো লাগছে। আমি মানিয়ে নিয়েছি। এখন আমি অনেক শান্ত এবং আরও বেশি সুখী। আমি পিএসজিতে থাকতে চাই।’

পিএসজিতে নেইমারের পাঁচ বছরের চুক্তি শেষ হতে যাচ্ছে ২০২২ সালের জুনে। এখন পর্যন্ত ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তি নবায়নের কোনও খবর নেই। একই অবস্থা দলের আরেক তারকা এমবাপেকে নিয়েও তৈরি হয়েছে। নেইমার চান, তার সঙ্গে পিএসজিতে থাকুক ফরাসি ফরোয়ার্ডও।

এমবাপেকে নিয়ে নেইমার বলেছেন, ‘আমি চাই কিলিয়ানও থাকুক। আমরা চাই পিএসজি একটা সেরা দল হোক। আমি ফুটবল খেলে যেতে চাই এবং সুখী হতে চাই, এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভাইয়ের মতো। আমি বড়। একসঙ্গে খেলাটা আমরা সত্যিই পছন্দ করি। তার কাছ থেকে সেরাটা পেতে চাই আমি। সে সোনার ছেলে। তাকে সোনার ছেলে বলি কারণ সে সত্যিই সোনা। তার হৃদয় অনেক বড়।’

ফরাসি ফরোয়ার্ডের সঙ্গে দারুণ সময় কাটে নেইমারের, ‘একজন ফুটবলার হিসেবে সে কতটা মূল্যবান জানে সবাই, এমনকি মাঠের বাইরেও অসাধারণ। সে হাসিখুশি, সুখী। জানে কীভাবে মজা করতে হয়। আমরা একেবারে একই রকম। শতভাগ হতে হলে আমাদের সুখী হতে হবে।’

দেশবিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *