নোয়াখালীতে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

রাজনীতি সারাবাংলা

ডেস্ক রিপোর্ট : নোয়াখালী সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ মোল্লাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। আহত হয়েছেন হামলাকারীসহ আরও দুইজন।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তালতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত হারুনুর রশিদ মোল্লা উপজেলার পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের নছিবুল হকের ছেলে। আহতরা হলেন নিহত হারুনের ভাতিজা রমিজ উদ্দিন এবং হামলাকারী গিয়াস উদ্দিন।

নিহত হারুন মোল্লার ভাতিজা জামাল উদ্দিন জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে হারুন মোল্লার ভাই আমিনুল হকের বাড়ির ওপর দিয়ে হাঁটাহাটি করে সাহাব উদ্দিন নামের একজন। সাহাব উদ্দিনকে দাঁড় করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আমিনুল হকের সঙ্গে তার তর্কাতর্কি হয়। এর জেরে শুক্রবার জুমার নামাজের পর ছকিদারহাট সামছুল হক ভূইয়া মসজিদে আমিনুল হক ও তার ভাতিজা সজিব (হারুন মোল্লার ছেলের) সাথে সাহাব উদ্দিন, রিয়াদ, রিপন, নাছির, ফরহাদ ও রহমানসহ কয়েকজনের সঙ্গে পুনরায় কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ছকিদারহাট ও তার আশপাশের এলাকায় হারুন মোল্লার ছেলে সজিবের ওপর হামলার জন্য ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে অবস্থান করে সাহাব উদ্দিন, রিয়াদ ও রিপন। বিষয়টি জানতে পেরে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল যোগে ছকিদারহাটের দিকে আসছিলেন হারুন মোল্লা, আমিনুল হক ও রমিজ। পথে তালতলা এলাকায় তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। প্রথমে সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুঁড়লে গুলিবিদ্ধ হয়ে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যান হারুন মোল্লা। এসময় আমিনুল হক পাশ্ববর্তী একটি ক্ষেত দিয়ে দৌঁড়ে পালিয়ে যেতে পারলেও আটকা পড়েন হারুন ও রমিজ। সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়ে ছকিদারহাট বাজারে আসেন রমিজ। পরে সজিবসহ বাজারের লোকজন তালতলা এলাকায় গিয়ে সড়কের পাশের একটি ক্ষেতের পানির নিচ থেকে বিএনপি হারুন মোল্লার নাড়িভূড়ি বের হওয়া লাশ উদ্ধার করেন।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *