পটুয়াখালীতে স্থাপনা নির্মাণে বাধা দিলে মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সারাদেশে সারাবাংলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীতে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণে বাধা দিলে মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও জনসাধারনের মাঝে মিথ্যা ও হয়রানি মূলক তথ্য প্রকাশের প্রতিবাদে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শুভাশীষ মুখার্জী। এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শৈমেন্দ্র চন্দ শৈলেন, উপ-দফতর সম্পাদক জি.এম জাফর কিরণ, পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাধান সম্পাদক মো. জালাল আহমেদ সহ প্রেসক্লাবের অন্য সদস্যরা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা। লিখিত বক্তব্যে শুভাশীষ মুখার্জী জানান, পটুয়াখালী পৌর শহরের ৩নং ওয়ার্ডের সেন্টার পাড়ায় জে,এল-৩৮, এসএস-১৯২৮ নং খতিয়ানের ৬৮০০ ও ৬৮০১ দাগের ০.২৪৭৫ সহাশ্রাংশ জমি নিয়ে উচ্চ আদালতের অন্তবর্তীকালীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চলমান। যার দেং মং নং-৬৫/১৯, তারিখ-২৬.৫.২০১৯। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওই জমিতে বসতঘর নির্মাণের চেষ্টা চালায় রিতা চ্যাটার্জীর ছেলে বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী ও অর্ণব চ্যাটার্জী জনি গং। এই জমির কিছু অংশের মালিক সে হওয়ায় তাদের নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে বলায় বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী গং তাকে ভয়-ভীতি ও খুনের হুমকি দেয়। এমন অবস্থায় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি দেখে সে গত ২৮ মে পটুয়াখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন, যার নং-১২৮৮। এঘটনায় রিতা চ্যাটার্জীর ছেলে বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী ও অর্ণব চ্যাটার্জী জনি গং সহ তার সংঙ্গীয়, বানী দেবী, শ্যামল ও কমল মুখার্জী যুক্তি করে তার সম্মানহানি করার জন্য মিথ্যা তথ্য ও অপবাদ দিয়ে গত মঙ্গলবার একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তাকে শহরের ভূমিদস্যু, জালিয়াতি, হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে তার সম্মানহানি করা হয়েছে। ওই সংবাদের নিন্দা জানিয়ে শুভাশীষ মুখার্জী আরও জানান, আমি অনেক কষ্ট, শ্রম ও মেধা দ্বারা তার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান চয়নিকা মেশিনারীজ ষ্টোরকে একটি কৃষি বান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। সেই সঙ্গে বহু ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে জড়িত আছি, বিভিন্ন মন্দির নির্মাণ কাজে সহায়তা করেছি। আমি পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্সের সাবেক পরিচালক, কেন্দ্রীয় পূজা কমিটির সদস্য, আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সেন্টারপাড়া কালি মন্দিরের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব সুনামের সঙ্গে পালন করে আসছি। মুক্তিযোদ্ধারা দেশের সূর্য সন্তান তাদের আমি শ্রদ্ধা ও সম্মান করি। আমি মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর মাথায় পিস্তল ঠেকাই নাই। আর আমার কোনো পিস্তলই নাই, তাহলে কিভাবে আমি কারো মাথায় পিস্তল ঠেকাতে পারি সেটা বোধগম্য নয়। ওই জমি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী গং দের সঙ্গে তার বিরোধ চলমান আছে। এই বিরোধের ফলে আদালতের মাধ্যমে জমিতে নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি করান একটি পক্ষ। কিন্তু তারাই সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থিতিবস্থার জমিতে নির্মাণ কাজ শুরু করেন। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সম্মানহানি করা সহ তার পিতারও সম্মান হানি করেছে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনকারীদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করবেন বলে তিনি জানান।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *