পটুয়াখালীতে স্বামীর স্বীকৃতি চান সুরাইয়া সুলতানা

সারাবাংলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালী জেলা পরিষদের অফিস সহায়ক কাম কম্পিউটার অপারেটর সরকারি কলেজ রোড নিবাসী মোঃ মনিরুজ্জামান মনির দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে টাউন কালিকাপুর নিবাসী মোঃ সুরাইয়া সুলতানার সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে নিয়ে দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। কিন্তু অনেকই জানেন মনিরের স্ত্রী সন্তান আছে। তাদের মনে প্রশ্ন জাগে সুরাইয়া সুলতানাকে কিভাবে বিয়ে করলো? তখন স্থানীয়রা এই রহস্য উদঘাটনের জন্য মনির এবং সুরাইয়াকে ফলো করতে থাকে। গত ৩ জুলাই ২০২১ তারিখ সরকারী কলেজের পিছনে মনিরের বোনের বাসায় রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে এলাকাবাসী আপত্তিকর অবস্থায় তাদের ধরে ফেলে। এসময় জিজ্ঞাবাদে মনির বলে সে আমার স্ত্রী। সুরাইয়াকে জিজ্ঞেস করলে সে জানায় আমার সাথে তার বিবাহ হয় নাই, তবে বিয়ে করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মনির প্রায় এই বাসায় সুরাইয়ার সাথে একাধিকার বার এসেছে বলে জানাযায়। এসময় স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে এবং উপস্থিতিতে উভয়ের সম্মতিক্রমে ইসলামি শরীয়া মোতাবেক ৫লক্ষ টাকা কাবিনে কাজী আলমগীর হোসেন তাদের বিবাহ সম্পন্ন করান। বর্তমানে মনির সুরাইয়া সুলতানাকে স্ত্রী বলে স্বীকার না করায় দ্বারে দ্বারে স্বামীর স্বীকৃতির জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছেন সুরাইয়া।
এ বিষয়ে মোঃ মনিরুজ্জামান মনির এর সাথে তার মুঠোফোনে (০১৭১৭৬৬৪১৭৭) যোগাযোগ করলে সে জানান আমাকে জোর করে বিয়ে করতে বাধ্য করেছে। এর বেশি কিছু বলতে পারবো না। এঘটনায় ভুক্তভোগী সুরাইয়া সুলতানা জানান, এই মনিরে সাথে আমার সম্পর্ক হওয়ায় আমার প্রথম বিদেগামী স্বামী বাবুল মিয়ার সাথে সম্পর্কের অবনতি হয় এবং এক পর্যায়ে মনিরের প্রলোভনে তাকে তালাক দিতে বাধ্য হই। মনির আমাকে পবিত্র কোরআন শরীফ হাতে নিয়ে একাধিকবার শপথ করে বিয়ে করবে বলে দীর্ঘ দিন আমাকে ভোগ করে। গত ৩ জুলাই ২০২১ তারিখ আমাদের মনিরে বোনের বাসায় আপত্তিকর অবস্থায় পেয়ে এলাকার লোকজন আমাদের বিবাহ করান। এখন সে আমাকে স্ত্রী বলে মানে না। এ বিষয়ে কাজী আলমগীর হোসেন জানান, উভয়ের সম্মতিক্রমে ইসলামী শরীয়া মোতাবেক বিবাহ রেজিষ্ট্রি হয়েছে। যার ভলিয়ম নং-২০ঙ, পৃষ্ঠা নং-৯১ এবং ফি প্রাপ্তি রশিদ নং-৫৫, তাং-০৩.৭.২০২১ইং।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *