পটুয়াখালী সাব রেজিস্টার অফিস জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকি নিয়ে কার্যক্রম

সারাবাংলা

বাদল হোসেন, পটুয়াখালী থেকে
পটুয়াখালী জেলা সাব রেজিস্টার অফিসের ভবনটি ২০১৩ সালে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্টরা। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে বার বার চিঠি চালাচালি সত্বেও নতুন ভবন না পাওয়ায় সেই ভবনেই জীবনের ঝুঁকি ও চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিয়ে প্রতিদিন কর্ম সম্পাদন করছেন কর্মচারী ও কর্মকর্তারা। ফলে চরম অযত্নে রয়েছে মানুষের মূল্যবান রের্কডীয় ফাইলপত্র। দেওয়ালে ফাটল এবং ভীষণ জরাজীর্ণ রয়েছে, যেকোন সময় ছাদ ধসে পড়ার সম্ভাবনার শঙ্কা। এটি পটুয়াখালী সাব রেজিস্টার অফিসের বর্তমান চিত্র। ভবনটি ২০১৩ সালে কনডেম ঘোষণা করার পর থেকেই সদর সাব রেজিস্টার অফিস অন্যত্র ভাড়া নিয়ে চালালেও প্রায় দুইশ বছরের পুরানো রের্কড রয়েছে সেই ভবনে। যার কারণে ওই রের্কড রুমে নকল নবিশ, তল্লাশি প্রকাশকারকসহ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রতিদিন চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে মানুষের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জেনেও কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ রয়েছে অনেকের মধ্যে। অন্যদিকে নতুন ভবন তৈরিতে বিলম্ব হওয়ার কারণে ঝুঁকি এড়ানোর জন্য আপাতত অস্থায়ী একটি সেড নির্মাণের দাবি কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের।
পটুয়াখালী জেলা সাব রেজিস্টার মহসীন আলম বলেন, পটুয়াখালী রেজিস্টার কার্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। তখন থেকে সাব রেজিস্টার ও সদর রেজিস্টার কার্যালয় ভাড়া বাসায় কার্যক্রম চলছে। কিন্তু ওখানে রের্কড রুম থাকায় প্রায় ২০০ বছরের লাখ লাখ রের্কড রয়েছে। ও রের্কড কাজ সম্পাদন করার জন্য নিয়োজিন নকল নবিশ ও তল্লাসী কারক এবং রের্কড রুমে কর্মরত কর্মচারী ওখানে কর্মরত আছেন। যারা খুব ঝুঁকির মধ্যে কাজ করতেছে। ঝুঁকি এড়াতে আমরা বার বার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে নতুন ভবন তৈরির জন্য আবেদন করে যাচ্ছি। অনেক সময় অতিবাহিত হচ্ছে যে কোন সময় একটি দুর্ঘটনা হয়ে যেতে পারে। তাই আমরা চাই আপাতত অস্থায়ী একটি সেড নির্মাণ করা হোক। এ বিষয় পটুয়াখালী জেলা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হননি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *