পাঁচপীর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হুমায়ুন কবীর প্রধান

সারাবাংলা

সেলিম সোহাগ, পঞ্চগড় থেকে:
পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ১০নং পাঁচপীর ইউনিয়নের উন্নয়নের জোয়ার বয়েছে। রাস্তাঘাট সেতু, ব্রীজ নির্মাণ শতভাগ বিদ্যুৎ সংযোগ, ৫১৬ জন দুস্থদের মধ্যে ভিজিটি কার্ড, ২১১ জন মাতৃত্ব, ৬৯৬ জন বয়স্ক ভাতা, ৪২৭ জন বিধবা ভাতা, ১৮২ জন প্রতিবন্ধী, ১৫০০ টিউবওয়েল, ২০০০ টি শৌচাগার, ৫০০০ কম্বল বিতরন করেছেন। করোনার ছোবলে সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারে না, তখন তিনি নিজ অর্থায়নে ৭০০০ প্যাকেট খাবার ও অনান্য সামগ্রী তার ইউনিয়নের সাধারন মানুষদের বাড়ি বাড়ি গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে ঘরে ঘরে পৌছে দেন। প্যাকেটের মধ্যে ছিল ৫ কেজি চাল, ১ কেজি মুসুরের ডাল, ১ লিটার সোয়াবিন তেল, ২টি কাপড় কাঁচা সাবন, ১ টি গোসল করা সাবান, হাত ধোওয়ার জন্য ১টি করে হ্যান্ডস্যানিটারী ও শুকনা চিড়া মুড়ি। এই ব্যাপারে ১০ নং পাচঁপীর ইউনিয়নের আমার চেয়ারম্যান মো: হুমায়ুন কবীর প্রধান বলেন আমি আমার চেয়ারম্যানি ভাতা গরীব ও দুস্থ্যদের মাঝে বিলিয়ে দেই। আমি বেশ কয়েকটি এতিমখানার সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমার এলাকার প্রতিটি স্কুলের বাচ্চাদেরকে নিজের অর্থায়নে টিফিন ক্যারিয়ার বাটি কিনে দেই। আমি আমার পাচঁপীর ইউনিয়নের বাল্যবিবাহ , মাদক, জুয়া, মুক্ত করেছি। আমার ইউনিয়ন পরিষদের সব সদ্যসকে ডেকে বলেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে ক্ষুদামুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ছে, আমরা আমাদের ১০ নং পাচঁপীর ইউনিয়কে কেন ক্ষুদামুক্ত করে কেন তুলতে পারবো না। আমরা সাধারণ জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। যে কোন কাজে আমাদের কাছে বার বার আসতে হবে না । আমরা নিজে থেকে সাধারন জনগণের বাড়ি বাড়ি গিয়ে যার যেটা ভাতার প্রয়োজন আমরা ব্যবস্থা নিব এলাকার বিভিন্ন মামলা-মোকাদ্দমা থানা বা আদালতে যেতে দেই না। বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে বাদী- বিবাদীকে আপোষ করিয়ে দেই। মামলা আদালতে গেলে উভয়পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *