পিঠার দোকানে ভিড়

সারাবাংলা

রাজিবুল হক সিদ্দিকী, কিশোরগঞ্জ থেকে :
পান পানি পিঠা শীতে দারুন মিঠা। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য এসব পিঠা তৈরী ও বিক্রি করছে নিম্ন আয়ের মানুষ। ফলে আসন্ন শীত উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম পড়েছে। তারা পিঠা তৈরি করছেন আর ক্রেতারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গরম গরম পিঠা খাচ্ছেন। এযেন শীতের আরেক আমেজ। কিশোরগঞ্জে পৌর শহরের পুরানথানা বাজার, কাঁচারী বাজার, গুরুদয়াল কলেজ মাঠ, হারুয়া বৌ বাজার, নগুয়া বটতলা, গাইটাল বাসস্ট্যান্ড, কালীবাড়ী মোড়, গৌরাঙ্গ বাজার, রথখলা, আখড়া বাজার, আলোরমেলা, বড় বাজার, নীলগঞ্জ মোড়, শোলাকিয়া, বয়লা, বত্রিশ বিকালে ঘুরে দেখা যায় বেশ কয়েকটি শীতের পিঠার দোকান বসেছে। এদের মধ্যে রয়েছে চিতই পিটা, ভাপা পিঠা। গরম গরম পিঠা তৈরি হচ্ছে, আর ক্রেতারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সেই পিঠা খাচ্ছেন।
পিঠা বিক্রেতা সোহেল মিয়া (৩২) তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের সদর হারুয়া এলাকায়। ১০ বছর ধরে পিঠা বানিয়ে বাজারে বিক্রি করছেন। একদিক থেকে পিঠা বানান। অন্যদিক থেকে তুলে তুলে ক্রেতার হাতে তুলে দিচ্ছেন। প্রতিটি ভাপা পিঠা ১০ টাকা বিক্রি করছেন। একটি চুলা দিয়ে চিতল পিটা ও অপর দু’টি চুলা দিয়ে ভাপা পিঠা তৈরি করছেন। প্রতিটি চিতল পিঠা ৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন। প্রতিদিন গড়ে ৬-৭ হাজার টাকার পিঠা বিক্রি করেন। সোহেল মিয়ার মতো কিশোরগঞ্জ শহরে আরো কমপক্ষে ২০-৫০টি শীতের পিঠার দোকান রয়েছে। এ সকল দোকান থেকে লোকজন পিঠা খাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ কিনে বাসা-বাড়িতেও নিয়ে যাচ্ছেন। ক্রেতা সুমন রহমান বলেন, প্রতিদিন গরম গরম পিঠা খেতে ভাল লাগছে। নিজে খেয়েছি, বাসার জন্যও পিঠা কিনে নিয়েছি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *