পেঁয়াজ চাষে বীজ-উপকরণ সব দেওয়া হবে : কৃষিমন্ত্রী

অর্থ-বাণিজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : কৃষকদের পেঁয়াজের বীজ, উপকরণ ও প্রযুক্তিসহ সব ধরনের সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। এ বিষয়ে কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে, তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আগামী গ্রীষ্মকালে দেশের কোন উপজেলায় কতজন চাষী পেঁয়াজ আবাদ করবেন, তার তালিকা প্রণয়ণের পাশাপাশি পেঁয়াজ বীজের চাহিদা নিরূপণ ও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।
আজ বুধবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) কেন্দ্রীয় গবেষণা পর্যালোচনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন শীর্ষক এক ভার্চুয়াল কর্মশালায় মন্ত্রী এসব বলেন বলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
কীভাবে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়িয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া যায়, সেই কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্যও গবেষক, বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাককে উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হলে আমাদের গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ উৎপাদন করতে হবে। সরকার পক্ষ থেকে পেঁয়াজ চাষিদের বীজ, উপকরণ, প্রযুক্তিসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।
বাংলাদেশে এখন যেসব জাতের পেঁয়াজ চাষ হয় : বারি পেঁয়াজ-১ (শীতকালীন), বারি পেঁয়াজ-২ (গ্রীষ্মকালীন), বারি পেঁয়াজ-৩ (গ্রীষ্মকালীন), বারি পেঁয়াজ-৪ (শীতকালীন), বারি পেঁয়াজ-৫ (গ্রীষ্মকালীন) ও বারি পেঁয়াজ-৬ (শীতকালীন)।
কৃষি তথ্য সার্ভিস-এআইএসের তথ্য বলছে, বাংলাদেশে রবি ও খরিপ উভয় মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের চাষ করা সম্ভব। বারি পেঁয়াজ-২ ও বারি পেঁয়াজ-৩ আগাম ও নাবি চাষ করা যায়।
বারি পেঁয়াজ-২ ও বারি পেঁয়াজ-৩ ছাড়াও ভারত থেকে আসা এগ্রিফাউন্ড ডার্করেড ও এন-৫৩ গ্রীষ্মকালে চাষ করা সম্ভব বলে জানিয়েছে এআইএস।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *